নয়াদিল্লি: মহামারীর মতই আরও একটা আতঙ্ক সম্প্রতি গ্রাস করেছে ভারতকে। আর তা হল পঙ্গপাল। পাকিস্তানে হাজির হয়েছিল আগেই। এপ্রিল থেকে একটু একটু করে ভারতেও ঢুকতে শুরু করে সেগুলি। আর এই কয়েকদিনেই যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে ভারতের কৃষিক্ষেত্রে। পঙ্গপাল ছড়িয়ে পড়েছে পঞ্জাব, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশের মত রাজ্যে।

গত বছরের ডিসেম্বরে গুজরাতে পঙ্গলাকের হানায় নষ্ট হয় ২৫০০০ হেক্টর জমি। আর এবার হামলার তার থেকেও ভয়ানক। আসলে গত বছর ইরান থেকে পাকিস্তানের দিকে চলে আসে এই পঙ্গপাল। আর সেখান থেকেই এসেছে ভারতে।

১৯৯৩ -তে শেষ পঙ্গপালের হানা হয়েছিল ভারতে। তবে ভয়ঙ্কর রূপ দেখা গিয়েছিল ১৯৬২ সালে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ১৯৭৮ ও ১৯৯৩-এর পর পঙ্গপালের এভাবে হানা দেখা যায়নি। রাষ্ট্রসংঘের এক আধিকারিক জানান, ভারতে গত ২৭ বছরে এমন ছবি দেখা যায়নি।

রাষ্ট্রসংঘের ‘ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশন’ বা FAO জানিয়েছে যে এর থেকেও খারাপ হতে পারে পরিস্থিতি। আগামী মাসে ভারতে ঢুকবে আরও কয়েক ঝাঁক পঙ্গপাল। ইস্ট আফ্রিকা থেকে সেগুলি ভারত ও পাকিস্তানের দিকে আসছে। কয়েক দশকে এমন পঙ্গপালের হানা দেখা যায়নি বলেও উল্লেখ করেছেন সংস্থার আধিকারিক কেথ ক্রেসম্যান।

জানা গিয়েছে, এরা প্রত্যেকদিন নিজেদের ওজনের সমান পরিমাণ শস্য খায়। আর কয়েক মিলিয়ন পঙ্গপাল এসে যদি হানা দেহ, তাহলে তাতে প্রায় সব শেষ হয়ে যেতে পারে।

প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এক বিশাল পঙ্গপালের দল ভারতে ঢুকে পড়েছে। এর ফলে বিশাল ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশাল পরিমাণ ফসলের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা। দেশের ফসলের উপর হামলা চালাতে পারে পঙ্গপাল। গত কয়েকদিন ধরে লাগাতার আশঙ্কা প্রকাশ করছিলেন দেশের গবেষকরা।

সম্প্রতি পঞ্জাবের পাকিস্তান সীমান্ত দিয়ে পঙ্গপাল দেশে ঢুকে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল। আর সেই আশঙ্কা সত্যি করে দেশে ঢুকে পড়ল পঙ্গপালের দল। একেবারে মারাত্মক সংখ্যায় পঙ্গপালের আবির্ভাব ঘটেছে।

উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসি জেলা প্রশাসন দমকল বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছে রাসায়নিক নিয়ে প্রস্তুত থাকার জন্য। সেখানকার ক্ষেতে পঙ্গপাল ধেয়ে আসার কথা রয়েছে। এই পোকা শস্য ও সবজি ধ্বংস করে দিতে পারে দ্রুত। তাই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, রাসায়নিক স্প্রে করে পঙ্গপাল নিধনের জন্য প্রস্তুত থাকতে।

জেলাশাসক সম্প্রতি এই বিষয়ে একটি বৈঠকও করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘‘গ্রামের সাধারণ মানুষকে বলা হয়েছে পঙ্গপালের গতিবিধি সম্পর্কে কন্ট্রোল রুমে খবর দিতে। যেখানে সবুজ ঘাস ও সবুজ ফসলের আধিক্য, পঙ্গপাল সেখানেই যায়। তাদের গতিবিধি সম্পর্কে বিস্তারিত জানলেই তা জানিয়ে দেওয়া হবে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।