লেনদেনের সময় সর্তকতার দিকটিতে আরো একবার জোর দিলেন ভারতীয় স্টেট ব্যাংক৷ বিষয়টি নিয়ে ট্যুইটারে মন্তব্য করেন প্রথম সারির এই ব্যাংকটি৷ গ্রাহকদের সচেতন করতে সংস্থা শেয়ার করেন বেশ কয়েকটি টিপস্৷ তবে, এই সর্তকতার দুটি উদ্যেশ্য৷ ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের প্রচার এবং গ্রাহকদের সুরক্ষিত লেনদেনের অভিজ্ঞতা প্রদান৷ ফাইন্যান্সিয়াল লিটারেসি উইকে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া একটি উদ্যোগ নেন৷ যেখানে ব্যাংকের অর্থনৈতিক পরিষেবাগুলি সর্ম্পকে গ্রাহকদের সচেতন করতে দেখা গিয়েছে৷

প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে লেনদেনের সময় মনে রাখুন বিষয়গুলিকে-

১) প্রযুক্তিগত লেনদেনের সময় বিশ্বস্ত এবং যাচাই করা ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করুন৷
২) ভারতীয় স্টেট ব্যাংকের নির্দেশ অনুয়ায়ী ‘https’ সুরক্ষিত ওয়েবসাইট থেকেই ডিজিটাল পেমেন্ট করুন৷
৩) পরিচিত ব্যাক্তিদের সঙ্গে লেনদেনের সর্ম্পকের উপর জোর দিচ্ছেন সংস্থা৷ অপরিচিত লেনদেনে ঝুঁকির সম্ভাবনা থাকে বেশি৷ উদারহণ হিসেবে বলা যায়, অনেক ব্যাংক গ্রাহকদের টাকা লেনদেনের জন্য ব্যাংক দেয় NEFT এবং RTGS এই দুই অপশান৷ পদ্ধতিটি ব্যবহার করে গ্রাহক সেই ব্যাংক অথবা অন্য কোন ব্যাংকে লেনদেন করতে পারেন৷
৪) ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে লেনদেনের পর টাকার পরিমান যাচাই করে নিন৷

৫) স্টেট ব্যাংকের এমন কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলিকে এড়িয়ে চলতে পারেন ডিজিটাল লেনদেনকে সুরক্ষিত করার জন্য৷ পাবলিক কম্পিউটার এবং ফ্রী-নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে লেনদেনকে করা হতে পারে একটি অসর্তক পদক্ষেপ৷
৬) নিজের ডিজিটাল ব্যাংকিং পাসওয়ার্ড শেয়ার করলে আপনারই বিপদ বাড়তে পারে৷ একইভাবে পিন, ওটিপি সহ একাধিক বিষয়ের দিক থেকে সর্তক থাকুন৷
৭) ব্যাংক কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের বার বার অনুরোধ করছেন যাতে অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত কোন তথ্য ফোনে না রাখা হয়৷ এতে খুব তাড়াতাড়ি তথ্য ফাঁসের সম্ভাবনা থাকে৷

গত ৪ জুন সারা দেশ জুড়ে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার উদ্যোগে লঞ্চ করা হয় ফাইন্যান্সসিয়াল লিটারেসি উইক৷ সেন্ট্রাল ব্যাংক ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, উদ্যোগটির মূল উদ্দেশ্য ছিল গ্রাহকদের সুরক্ষা৷ ইতিমধ্যেই ভারতীয় স্টেট ব্যাংকের গ্রাহকেরা ডিজিটাল ট্রানজাকশন সুবিধা পাচ্ছেন৷ এছাড়া, সংস্থার পোর্টালের মাধ্যমে নেট-ব্যাংকিংয়ের সুবিধাও পেয়ে থাকেন গ্রাহকরা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।