নয়াদিল্লি : সোনা সম্পদ। অন্তত বর্তমান পরিস্থিতিতে তো বটেই। সব জিনিসের দাম কমলেও, সোনা কিন্তু নিজের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। বরং ক্রমশ বাড়ছে সোনার দাম। তাই সোনাকে বাড়িতে না রেখে বিশেষ সঞ্চয় প্রকল্পে রাখলে মিলবে ভালো সুদ।

অনেকেই বাড়িতে আলমারির লকারে সোনা রাখতে ভয় পান নিরাপত্তার জন্য, আবার ব্যাংকের লকারে সোনা রাখার অর্থ অতিরিক্ত টাকা প্রতি বছর গোণা। তাই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া নিয়ে এল বিশেষ প্রকল্প।

আরবিআই গোল্ড মানিটাইজেশন স্কিম শুধু আপনার নিজের সোনার ওপরে সুদই দেবে না, তাকে সুরক্ষিত রেখে আপনাকে স্বস্তি জোগাবে। এই স্কিম ঠিক কোনও ব্যাংকের ফিক্সড ডিপোজিট স্কিমের মত। যেখানে টাকার বদলে জমা রাখতে হবে সোনা।

এর বদলে ম্যাচুরিটির সময়ে আপনি পাবেন এর সম পরিমাণ সোনা। মনে রাখতে হবে ম্যাচুরিটির সময়ে সোনার যা দাম থাকবে, তাই দিয়েই নির্ধারিত হবে বিনিয়োগকারীর প্রাপ্য।

আরবিআই জানাচ্ছে, ২০১৫ সাল থেকে এই প্রকল্প চালু হয়েছে। এই স্কিমের উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষের বাড়িতে অহেতুক পড়ে থাকা সোনা কাজে লাগানো ও মানুষকে সুদের হার দেওয়া। যে কোনও ভারতীয় এই স্কিম কাজে লাগাতে পারেন।

এরই সঙ্গে ব্যক্তিগত ভাবে বা যৌথভাবে এই স্কিমের সুবিধা নিতে পারা যায়। এই সঞ্চয় প্রকল্প শুরু করা যায় সর্বনিম্ন ৩০ গ্রাম সোনা দিয়ে। এর মধ্যে থাকতে পারে সোনার বার, কয়েন বা গয়না। তবে পাথর ও অন্যান্য ধাতুর ওজন সেখানে বাদ পড়বে।এর কোনও সর্বোচ্চ সীমা নেই।

আরবিআই স্বীকৃত কিছু ব্যাংকে এই স্কিম রয়েছে। দুই ধরণের সোনা ডিপোজিট স্কিম রয়েছে। শর্ট টার্ম ব্যাংক ডিপোজিট ও মিডিয়াম অ্যান্ড লং টার্ম গভর্মেন্ট ডিপোজিট।

শর্ট টার্মের ক্ষেত্রে ১ থেকে ৩ বছর এই স্কিমের মেয়াদ হবে। তবে স্কিমের মাঝপথেও বিনিয়োগকারী তা তুলে নিতে পারেন। মিডিয়াম অ্যান্ড লং টার্ম গভর্মেন্ট ডিপোজিটের ক্ষেত্রে দুই ধরণের মেয়াদের সুবিধা রয়েছে। মিডিয়াম টার্মে ৫-৭ বছর ও লং টার্মের ক্ষেত্রে ১২-১৫ বছর পর্যন্ত বিনিয়োগ করা যাবে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।