নিউ ইয়র্ক: করোনা ভাইরাসের জন্য বড়সড় ধাক্কা বিশ্বের অর্থনীতিতে। এমনকি ছাড় নেই বিলিয়নেয়ারদেরও। বিশ্বের সবথেকে ধনী ব্যক্তিরাও ধাক্কা খেয়েছেন। ক্ষত হয়েছে কয়েক হাজার কোটির।

বিশ্বের সবথেকে ধনী ৫০০ জন ব্যক্তির মোট ক্ষতি হয়েছে ৪৪৪ বিলিয়ন ডলারের। করোনা ভাই্রাস ছড়িয়ে পড়ছে চিন থেকে অন্য দেশে। আর তার থেকেও বেশি যা ছড়াচ্ছে, তা হল আতঙ্ক।

বিশ্বের সবথেকে ধনী তিন ব্যক্তি হলে আমাজন কর্তা জেফ বেজোস, মাইক্রোসফট কর্তা বিল গেটস ও LVMH চেয়ারম্যান বার্নার্ড আরনল্ট। এদের তিনজনের মোট সম্পত্তির পরিমাণ কমেছে ৩০ বিলিয়ন ডলার।

বিশ্বের ২৫ তম ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্কের সম্পতি কমেছে ৯ বিলিয়ন ডলার।

করোনাভাইরাসের আতঙ্কের শিকার হয়েছেন ভারতের ধনী শিল্পপতিরাও। করোনা-আতঙ্কের জেরে বিনিয়োগে সঙ্কোচ দেখাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। এই কারণেই পতন দেখা দিচ্ছে বাজারে। যার আঁচ পড়েছে এদেশের শিল্পপতিদের উপরও। Bloomberg-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, গত দু’সপ্তাহে ব্যাপক পরিমাণ ক্ষতির মুখ দেখেছেন এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি মুকেশ অম্বানি।

রিপোর্টে জানা গেছে, চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত ৫৯০ কোটি ডলারের ক্ষতি হয়েছে অম্বানির। এর জেরে তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ নেমে এসেছে প্রায় ৫৩ হাজার কোটি ডলারে। মুকেশ অম্বানির রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারেও ১১ শতাংশ পতন দেখা গিয়েছে। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনাভাইরাসের আতঙ্কের জেরেই এই ক্ষতি। অম্বানি একা নন, করোনা-আতঙ্কের শিকার Wipro-র প্রতিষ্ঠাতা আজিম প্রেমজিরও ৮৬ কোটি ডলারের বেশি ক্ষতি হয়েছে। কোটাক মহিন্দ্রার উদয় কোটাকের ক্ষতি হয়েছে প্রায় সাড়ে ১২ কোটি ডলার। আদিত্য বিড়লা গ্রুপের চেয়ারম্যান কুমার মঙ্গলম বিড়লার প্রায় ৮৯ কোটি ডলারের এবং শিল্পপতি গৌতম আদানির প্রায় ৫০ কোটি ডলারের ক্ষতি হয়েছে বলে জানাচ্ছে Bloomberg.

বিশ্বজুড়ে চলছে করোনাভাইরাসের আতঙ্ক। যা ছড়িয়ে পড়েছে শেয়ার বাজারেও। চিন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়ার শেয়ার মার্কেটের পর এবার করোনা-ক্ষতির মুখে পড়েছে বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জও।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও