লন্ডন: নদার্ন আয়ারল্যান্ডের (Northern Ireland) রাজধানী বেলফাস্ট থেকে রওনা দিল বিশ্বের বৃহত্তম কার্গো বিমান। শুক্রবার ১৮ টন অক্সিজেন জেনারেটার ও ১ হাজার ভেন্টিলেটর সহ যুক্তরাজ্যের এই বিমান ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে বলে সরকারি সূত্রে খবর।

ফরেন কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অফিসের (FCDO) তরফে জানানো হয়েছে ওই বিমানে প্রাণদায়ী জিনিস ভর্তি করতে কর্মীরা রাতভর কাজ করেছেন। তারপরই বিশাল অ্যান্টোনভ ১২৪ এয়ারক্র্যাফট ভর্তি হতে পেরেছে। রবিবার সকাল ৮টা নাগাদ এর দিল্লি বিমানবন্দরে নামার কথা। তারপর ইন্ডিয়ান রেড ক্রসের তরফে সেগুলি হাসপাতালে পাঠানো হবে। ৪০ ফুট তিনটি অক্সিজেন কনটেনার প্রতি মিনিটে ৫০০ মিটার অক্সিজেন প্রস্তুত করতে পারে। এখান থেকে একসঙ্গে ৫০ জন অক্সিজেন নিতে পারবে। যুক্তরাজ্যের বিদেশ সচিব ডমিনিক ব়্যাব বলেছেন, উত্তর আয়ারল্যান্ড থেকে অক্সিজেন ভারতে পাঠানো হচ্ছে। এটি দেশের হাসপাতালগুলিতে পাঠানো হবে যাতে কোভিড রোগীরা ব্যবহার করতে পারে। এই মহামারীর সঙ্গে ভারত ও যুক্তরাজ্য একসঙ্গে লড়াই করছে। সবাই যতক্ষণ না নিরাপদ হচ্ছে, কেউ নিরাপদ নয়।

গত মাসে ২০০ ভেন্টিলেটর ও ৪৯৫টি অক্সিজেন কনসেনট্রেটর ভারতকে পাঠিয়েছিল যুক্তরাজ্য। এর অর্থ জোগান দিয়েছিল FCDO। এই প্যাকেজ ডিপার্টমেন্ট অফ হেলথ অ্যান্ড সোশ্যাল কেয়ার (DHSC) সূত্রে পাঠানো হয়েছে এবং এটি পাঠিয়েছে নদার্ন আয়ারল্যান্ডের হেলথ সার্ভিস। DHSC দিয়েছে ১ হাজার ভেন্টিলেটর। যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য সচিব ম্যাট হ্যানকক বলেছেন, “ভারতের পরিস্থিতি মর্মান্তিক। এই চ্যালেঞ্জে আমারা বন্ধু পাশে আছি।”

শুক্রবার সকালে নেদারল্যান্ড (Netherlands) থেকে প্রথম সাহায্য এসে পৌঁছায় ভারতে। এদিন ৪৪৯ ভেন্টিলেটর, ১০০ অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর এবং কোভিড -১৯ ত্রাণ সামগ্রীর প্রথম চালান ভারতে আসে। মিনিস্ট্রি অফ এক্সটারনাল অ্যাফেয়ার্স (Ministry of External Affairs)- এর মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি তার অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলে লিখেছেন, নেদারল্যান্ডস থেকে ৪৪৯টি ভেন্টিলেটর, ১০০ অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর এবং অন্যান্য চিকিত্সা সামগ্রীর প্রথম চালানটি ভারতে এসেছে। আগামী দিনগুলিতে বাকি চিকিৎসা সরঞ্জামগুলি সরবরাহ করবে বলে আশ্বাস দিয়েছে নেদারল্যান্ড। আমাদের বন্ধু নেদারল্যান্ডসের সমর্থন আমাদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.