নয়াদিল্লি : ভারতের গর্বের মুকুটে নয়া পালক। বিশ্বের সর্বোচ্চ রেল ব্রিজ তৈরি এখন সময়ের অপেক্ষা। রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল (Railway Minister Piyush Goyal) নিজের অফিশিয়াল ট্যুইটার হ্যান্ডেলে প্রকাশ করলেন সেই বৃহত্তম রেল ব্রিজের (World’s Highest Railway Bridge) ছবি। কাশ্মীরে চেনাব নদীর ওপরে গড়ে ওঠা চেনাব ব্রিজ (Chenab Railway Bridge) ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে মাইল স্টোন বলে উল্লেখ করেছেন মন্ত্রী (Railway Bridge by Piyush Goyal)। এই ব্রিজের কাজ শেষ হওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা বলে জানান তিনি।

২০২২ সালের মার্চের মধ্যেই এর কাজ সম্পূর্ণ হবে বলে জানিয়েছেন পীযূষ গোয়েল। ২০০২ সালে ভারতীয় রেল এই ব্রিজটির (Railway bridge over Chenab River) নির্মাণকাজে হাত দিলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও বাতাসের প্রচণ্ড গতিবেগের কারণে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়৷ দু’বছর পর আবার প্রকল্পটি সবুজ সংকেত পায়৷ কোঙ্কন রেলওয়ে কর্পোরেশন ও রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে এই প্রকল্পে খরচ পড়ছে ৯২ কোটি টাকা৷ ১,৩১৫ মিটার দীর্ঘ এই সেতু নির্মাণে ২৫ হাজার টন ইস্পাত লাগবে (first cable-stayed Indian Railways bridge)৷ ব্রিজটি তৈরি হলে বারামুলা থেকে জম্মু যেতে সময় লাগবে মাত্র সাড়ে ছয় ঘণ্টা।

 

এতদিন চিনের গুইঝাউ প্রদেশে বেইপানজিয়াঙ নদীর ওপর নির্মিত ২৭৫ মিটার উঁচু রেলসেতুই ছিল বিশ্বের উচ্চতম সেতু৷ চেনাব নদীর ওপর এই সেতুটি তৈরি হয়ে গেল, চিনের কাছ থেকে এই তকমা কেড়ে নেবে ভারত। সবকিছু ঠিক থাকলে খুব শীঘ্রই ধনুকাকৃতি এই সেতু পেয়ে যাবে ভারত৷ যার উচ্চতা ৩৫০ মিটার। তথ্য বলছে এটি প্যারিসের আইফেল টাওয়ারের থেকেও ৩৫ মিটার উঁচু৷

প্রবল হাওয়া ও ভূমিকম্প মোকাবিলা করার মতো ব্যবস্থা রেখেই এই সেতু তৈরি করা হচ্ছে। রেলওয়ের আধিকারিক জানিয়েছেন, সেতু নির্মাণে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল নদীর উচ্ছল জলধারা৷ নদীর স্বাভাবিক গতিবেগ রুদ্ধ না করে তার উপর ব্রিজ নির্মাণ করা একটা চ্যালেঞ্জ ছিল ভারতীয় ইঞ্জিনিয়রদের কাছে। তা অতিক্রম করা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।