ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: লকডাউনের পর ভারতের অর্থনীতি হাল যে বেহাল হতে চলেছে, তার ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞরা। সমীক্ষকরা বলছেন এই লকডাউন অনির্দিষ্টকালের জন্য চলছে। তাই বলা যায় লকডাউন উঠলে বড়সড় ধাক্কা অপেক্ষা করছে দেশের অর্থনীতির জন্য।

২১ দিনের এই লকডাউনে ভারতীয় অর্থনীতি ৭ থেকে ৮ লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। কলকারখানা বন্ধ, বন্ধ সব ব্যবসা, বিমান, ট্রেন পরিষেবা বন্ধ, পেট্রোলের বিক্রি প্রায় নেই বললেই চলে। সব মিলিয়ে বড়সড় ক্ষতি দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে গোটা দেশ আজ গৃহবন্দী। ফলে ২৫শে মার্চ থেকে চালু হওয়া লকডাউনের প্রভাব পড়েছে সমাজের সর্বত্র। প্রায় ৭০ শতাংশ ব্যবসা বন্ধ হয়ে রয়েছে। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর বেচাকেনা চলছে।

আইটি সেক্টর ও কিছু অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান ছাড়া সবই ঝাঁপ বন্ধ অবস্থায় রয়েছে। তাই মনে করা হচ্ছে ২০১২ অর্থবর্ষে (এপ্রিল ২০২০-মার্চ ২০২১) অর্থনৈতিক উন্নয়ন বা অগ্রগতির সম্ভাবনা ক্ষীণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন লকডাউনের পর থেকে প্রতিদিন প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে দেশের।

রিপোর্ট জানাচ্ছে, অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ ও চাহিদার ব্যাঘাত ঘটবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে যার ফলে বৃদ্ধির হারের গতি কমে যাবে। ২০২১ সালে তা একেবারে তলানিতে ২.৮ শতাংশ নেমে আসবে বলে জানিয়েছে। তবে পাশাপাশি আশা করা হচ্ছে ২০২২ সালে আবার ঘুরে দাঁড়িয়ে ৫ শতাংশ যাবে যখন এই করোনা ভাইরাসের প্রভাব কেটে যাবে বলে মনে করছে ওই রিপোর্ট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।