নয়াদিল্লি: নিরামিষ আহার বেশ কিছুদিন ধরে ট্রেন্ডিং টপিকে রয়েছে। নিরামিষ ডায়েটের সুবিধা সম্পর্কে লোকদের সচেতন করার জন্য, প্রতি বছর ১ নভেম্বর World Vegan Day হিসেবে পালন করা হয়। বিজ্ঞানীরা নিজেরাই দাবি করেছেন, যে নিরামিষ আহার বহু রোগ থেকে মুক্তি দেয়।

অনেক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, ভেজ ডায়েটে বেশি ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এবং পুষ্টি থাকে যা শরীরের ক্ষেত্রে উপকারী। এই ডায়েটে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফোলেট, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি এবং ভিটামিন-ই খুব বেশি থাকে। এগুলি নিয়মিত খেলে মারাত্মক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

বিশেষজ্ঞদের দাবি, ওজন কমাতেও নিরামিষ খাদ্য বেশি সহায়ক। বলা হয় মাত্র সাড়ে চার মাসে সাড়ে চার কেজি ওজন কমাতে পারে নিরামিষ আহার।

টাইপ -২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে কিডনির কার্যকারিতা উন্নত করতেও নিরামিষ আহার উপকারী বলে মনে করেন অনেকে। আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন অনুসারে, নিরামিষ খাবার ডায়েবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ক্যান্সার প্রতিরোধের প্রায় এক তৃতীয়াংশ ডায়েটের উপর নির্ভর করে। বলা হয়, শাকসবজি খাওয়া কোলেটারাল ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে। প্রতিদিন তাজা ফল এবং শাকসবজি খেলে ক্যান্সারে মৃত্যুর সম্ভাবনা ১৫ শতাংশ কমিয়ে দেয় বলে জানা গিয়েছে।

বেশ কিছু ক্ষেত্রে দাবি করা হয়েছে, নিরামিষ খাদ্যাভাস আর্থ্রাইটিসে আরাম দেয়। বাতজনিত রোগে আক্রান্ত ৪০ জনের উপর করা একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নিরামিষ ডায়েট শরীরে শক্তির মাত্রা বাড়ায় এবং সাধারণ কার্যকারিতা উন্নত করে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I