বিশ্ব স্ট্রোক দিবস ২০২০: প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ স্ট্রোকের কারণে মারা যায়। যখন স্ট্রোক হয় তখন ব্রেনের একটি নির্দিষ্ট অংশে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ব্রেনের ঠিক কোন অংশে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছে তা থেকে এই রোগের লক্ষণ নির্ভর করে।

যদি সঠিক সময়ে জানা যায় যে স্ট্রোক হয়েছে, তবে আক্রান্ত ব্যক্তিকে বাঁচানো যেতে পারে। আসুন বিশ্ব স্ট্রোক দিবস ২০২০ তে আমরা জেনে নিই কোন লক্ষণ থাকলে আমরা বুঝতে পারব যে ব্যক্তিটি স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন।

যদি কোনও ব্যক্তির মুখ হাসার সময় তাঁর মুখের একপাশ অসাড় বা ফ্যাকাশে দেখায় তবে বিপদ হতে পারে। এমনকি কখনও কখনও হাসার সময় সেই ব্যক্তির মুখ খানিকটা বেঁকেও যেতে পারে।

আরও পড়ুন – ভারতের হামলার ভয়ে অভিনন্দনকে মুক্তি, পাক স্বীকারোক্তি নিয়ে রাহুলকে বিঁধলেন নাড্ডা

কোনও ব্যক্তিকে দুই হাত বাড়াতে বলুন। যদি তাঁর হাত দুর্বল বা অসাড় দেখায়, তবে কিন্তু বিষয়টি গুরুতর হতে পারে। দুটি হাতের খারাপ ব্যালেন্স বা হাতের নীচের দিকে নেমে যাওয়া কিন্তু স্ট্রোককে নির্দেশ করে।

যদি কোনও ব্যক্তির কথা বলতে অসুবিধা হয় বা কথা বলতে বলতে শব্দ আটকে যায়, তবে স্ট্রোক সম্পর্কিত সমস্যা হতে পারে। যদি কোনও স্বাভাবিক ব্যক্তি হঠাৎ করে আগের মতো কথা বলতে না পারেন, তবে বিপদ হতে পারে।

লক্ষণগুলি দেখে যদি স্ট্রোক মনে হয়, তবে দ্রুত চিকিৎসককে জানানো দরকার। যদি সঠিক সময়ে চিকিৎসককে ডাকা হয়, সেক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তিকা বাঁচানো সম্ভব।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I