নয়াদিল্লি : আন্তর্জাতিক মঞ্চে করোনা মোকাবিলায় সদর্থক ও উজ্জ্বল ভূমিকা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (PM Narendra Modi)। এখনও পর্যন্ত ৪৭টি দেশে (47 countries) ভারতের (India) তৈরি করোনা ভ্যাকসিন পৌঁছেছে। সেই সব দেশের রাষ্ট্রনেতার (World leaders) শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ বার্তা পৌঁছেছে নয়াদিল্লির কাছে। ভারতের পক্ষ থেকে এই দেশগুলিতে ৪.৬ কোটি ভ্যাকসিন ডোজ পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণ ভারতে তৈরি (India sends COVID-19 vaccines)। এর মধ্যে ৭১.২৫ হাজার ডোজ উপহার হিসেবে ও ৩.৯৩ কোটি ডোজের বানিজ্যিক ভাবে পাঠানো হয়েছে বলে খবর।

আফ্রিকা, ক্যারাবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের দেশ থেকে আসিয়ান গোষ্ঠীভুক্ত দেশে পৌঁছেছে ভ্যাকসিন। বুধবার অর্থাৎ তেসরা মার্চ ৫ লক্ষ ভ্যাকসিন ডোজ পৌঁছেছে কানাডায়। পুনের সেরাম ইনস্টিটিউট আরও দেড় লক্ষ কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন পাঠাবে বলে এক ট্যুইট বার্তায় জানিয়েছে। কানাডায় ভারতের রাষ্ট্রদূত অজয় বিসারিয়া জানিয়েছেন কানাডার ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পেরে গর্বিত ভারত।

ক্যারাবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের দেশ যেমন, বার্বাডোজ, ডোমিনিকা, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, সেন্ট ভিনসেন্ট, অ্যান্টিগুয়া, বার্বুডার মতো দেশে পৌঁছেছে ভারতের তৈরি ভ্যাকসিন। অ্যান্টিগুয়া, বার্বুডার প্রধানমন্ত্রী গ্যাস্টন ব্রাউনি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভূমিকা অনস্বীকার্য। করোনা মোকাবিলায় ভারতের ভূমিকাতে কৃতজ্ঞ এই দেশ।

এছাড়াও অর্গানাইজেশন অফ আমেরিকান স্টেটস বা ওএএসের দেশগুলিতে পৌঁছেছে ভারতের ভ্যাকসিন। ভ্যাকসিন পেয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ব্রাজিল, মেক্সিকো ও আর্জেন্টিনা। ওএএসের স্থায়ী কাউন্সিলের রাষ্ট্রদূত রোনাল্ড স্যান্ডারস জানিয়েছেন করোনা মোকাবিলায় ভারতের সহমর্মিতা উল্লেখযোগ্য। চৌঠা মার্চের মধ্যে ভ্যাকসিন পৌঁছেছে আফ্রিকা, ঘানা, আইভরি কোস্ট, কঙ্গো, অ্যাঙ্গোলা, নাইজেরিয়া, কেনিয়া, লেসোথো, রাওয়ানডা, সেনেগাল, সুদান, কম্বোডিয়াতে। ভারতের তৈরি ভ্যাকসিন দিয়েই নিজেদের ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রাম শুরু করেছে আফগানিস্তান, মালদ্বীপ, নেপাল, বাংলাদেশ।

ভ্যাকসিন মৈত্রী উদ্যোগের আওতায় বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রে করোনা টিকা পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছে ভারত। ভারতের এই উদ্যোগকেই স্বাগত জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। করোনা আবহে যেভাবে সাহায্যের হাত নরেন্দ্র মোদী বাড়িয়ে দিয়েছেন, তা চোখে পড়ার মত বলে উল্লেখ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এই সংস্থা জানিয়েছে ভারত সরকারের এই উদ্যোগে উপকৃত হয়েছে বহু ছোট দেশও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।