নয়াদিল্লি : আজ ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ডে’ বা ‘বিশ্ব ঐতিহ্য দিবস’। প্রতিবছর ১৮ এপ্রিল সারা বিশ্বে এই দিনটিকে বিশ্ব ঐতিহ্য দিবস হিসেবে পালন করা হয়ে থাকে। ১৯৮২ সালে ‘ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল ফর মনুমেন্টস অ্যান্ড সাইটস (ICOMOS)’ তিউনিশিয়ায় একটি আলোচনা সভায় ১৮ এপ্রিলকে ‘ইন্টারন্যাশনাল ডে ফর মনুমেন্টস অ্যান্ড সাইটস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তী সময়ে ১৯৮৩ সালে দিনটি ‘বিশ্ব ঐতিহ্য দিবস’ হিসেবে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পায়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের তাগিদ থেকে মূলত এই দিনটি পালন করা হয়ে থাকে।

২০২১ সালে এই বিশ্ব ঐতিহ্য দিবসের থিম হল ‘Complex Pasts: Diverse Futures’। বিশেষ এই দিনটি সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, আজকের দিনে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ঐতিহাসিক সমস্ত স্মৃতিসৌধ, প্রত্নস্থল, সমাধি, মন্দির, মসজিদ, গির্জা সহ একাধিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের বিষয়ে আলাপ আলোচনা করা হয় এবং এইসব সম্পদ সুরক্ষিত রাখতে ও মানুষকে আরও বেশি করে সচেতন করে তুলতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

বর্তমানে ভারতে ৩৮ টি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট রয়েছে। এরমধ্যে ৩০ টি হল ‘সাংস্কৃতিক’ হেরিটেজ। যেমন অজন্তার গুহা, ফতেপুর সিক্রি, হাম্পি স্মৃতিসৌধ এবং ভারতের পর্বত রেলপথ, এবং ৭ টি হল “প্রাকৃতিক”, কাজিরাঙ্গা, মানস এবং নন্দাদেবী জাতীয় উদ্যান। ‘খানগচেডজঙ্গা জাতীয় উদ্যান।

শুধু তাই নয়, ২০১৯ সালে রাজস্থানের জয়পুর শহরকে ইউনেস্কোর তরফে ৩৮ তম হেরিটেজ সিটি হিসেবে অ্যাখা দেওয়া হয়েছে। কারণ, রাজস্থানের এই শহরকে দূর থেকে গোলাপী দেখতে লাগে। তাই একে গোলাপী শহরও বলা হয়।

এছাড়াও ভারতের উল্লেখযোগ্য হেরিটেজ গুলি হল….

১.আগ্রার দুর্গ (১৯৮৩)

২. অজন্তা গুহা (১৯৮৩)

৩. বিহারের নালন্দা। নালন্দা মহাবিহারের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান (২০১৬)

৪.সাঁচিতে বৌদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ (১৯৮৯)

৫. চম্পানার-পাবাগড় প্রত্নতাত্ত্বিক উদ্যান (২০০৪)

৬. ছত্রপতি শিবাজি টার্মিনাস। আগে ভিক্টোরিয়া টার্মিনাস নাম ছিল(২০০৪)।

৭.গোয়ার গির্জা (১৯৮৬)

৮.এলিফ্যান্টা গুহা (১৯৮৭)

৯. ইলোরা গুহা (১৯৮৩)

১০. ফতেপুর সিক্রি (১৯৮৬)

১১. চোল মন্দির (১৯৮৭,২০০৪)

১২.হাম্পির স্মৃতিসৌধ (১৯৮৬)

১৩. মহাবালীপুরম স্মৃতিসৌধ (১৯৮৪)

১৪.পট্টডাকালে স্মৃতিসৌধ (১৯৮৪)

এছাড়াও রয়েছে আরও অনেক প্রাকৃতিক ও জাতীয় উদ্যান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.