ইসলামাবাদ: রাম মন্দির না বাবরি মসজিদ, এই বিতর্ক দীর্ঘদিনের। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে সেই বিতর্কে আপাতত দাঁড়ি পড়ল। যদিও এই রায় রিভিউ হতে পারেন বলে মনে করছেন কেউ কেউ। তবে এই রায় নিয়ে বিশেষ মাথাব্যাথা তৈরি হয়েছে পাকিস্তানের। সকাল থেকেই সেখানকার মন্ত্রী-আধিকারিকরা বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করে চলেছেন।

এদিন রায় ঘোষণার পর ট্যুইট করেন পাক সেনার মুখপাত্র আসিফ গফুর। বিভিন্ন সময় ভারত-বিরোধী কড়া মন্তব্য করার অভ্যাস তাঁর অনেকদিনের। যে কোনও ইস্যুতেই ট্যুইট করতে দেখা যায় তাঁকে। অযোধ্যা মামলাও তার ব্যতিক্রম নয়।

সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী, অযোধ্যার বিতর্কিত জমি দেওয়া হবে হিন্দুদের বা মন্দির পক্ষকে। আর অন্যত্র ৫ একর জমি পাবেন মুসলিমরা। ভারতের শীর্ষ আদালতের এই সিদ্ধান্তে বেজায় চটেছে মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তান।

নিজের ব্যক্তিগত ট্যুইটার হ্যান্ডেলে আসিফ গফুর লিখেছেন, ‘বাবরি মসজিদের রায়ে চরমপন্থী ভারতের কুৎসিত মুখ আরও একবার বিশ্বের সামনে এল।’ শনিবারই কর্তারপুর করিডরের উদ্বোধন করা হয়েছে। সেই উদাহরণ টেনে আসিফ গফুর বলেন, ‘পাকিস্তান অন্য ধর্মকে সম্মান জানাতে কর্তারপুর করিডর খুলে দিচ্ছে।’

এদিন রায় ঘোষণার পর, ট্যুইট করেন নরেন্দ্র মোদী। তিনি লিখেছেন, সুপ্রিম কোর্টের রায় কারও হার বা জিত নয়। রাম ভক্তি হোক বা রহিম ভক্তি, আমাদের দেশভক্তি-র উপর জোর দেওয়া প্রয়োজন। সব জায়গায় যাতে শান্তি বজায় থাকে, সেই আর্জি জানিয়েছেন তিনি। ১৩০ কোটি ভারতবাসীকে শান্তি বজায় রাখার আর্জি জানিয়েছেন তিনি।

রায় ঘোষণার আগে সব রাজ্যকে সতর্ক করেছে কেন্দ্র। অযোধ্যা-সহ গোটা উত্তরপ্রদেশ মুড়ে ফেলা হয়েছে কড়া নিরাপত্তার চাদরে। নিরাপত্তার প্রবল কড়াকড়ি। অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণার আগে দুর্গের চেহারা নিয়েছে মন্দিরনগরী। সব রাজ্যকে সতর্ক করে ইতিমধ্যেই চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্র। নজর রাখতে বলা হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। উত্তরপ্রদেশে পৌঁছে গেছে চার হাজার আধাসেনা।