মুম্বই: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘দ্বীপ জ্বালো’ কর্মসূচীকে কার্যত দিওয়ালি ভেবে ভুল করে ফেলেছিলেন অনেকে। তাইতো রবিবার রাত ৯টায় ঘরের আলো নিভিয়ে মোমবাতি কিংবা প্রদীপ জ্বালনোর সঙ্গে সঙ্গে ফেটেছে শব্দবাজি, আকাশে উড়েছে ফানুস। বিশ্বজুড়ে করোনার কামড়ে মানুষের প্রাণ যখন ওষ্ঠাগত, তখন মোমবাতি কিংবা প্রদীপ জ্বালানোর নামে একশ্রেণীর মানুষের এই পাগলামিতে বিরক্ত অনেকেই।

ঘটনাকে তীব্র কটাক্ষ করে সুর চড়িয়েছেন দেশের অ্যাথলিটরাও। তালিকায় রয়েছেন রোহিত শর্মা। রবিবার রাতে শব্দবাজি কিংবা আতসবাজি ফাটানোর ঘটনাকে তীব্র কটাক্ষ করে ‘হিটম্যান’ বলেছেন, বিশ্বকাপ তো দেরি আছে তাহলে এত শব্দবাজি কেন? মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে অবাক রোহিত রবিবার রাতেই লেখেন, ‘ভারতবর্ষ ঘরের ভিতরেই থাকো। সেলিব্রেট করতে রাস্তায় বেরনোর কিছু নেই। বিশ্বকাপ এখনও কিছুটা দেরি।’ উল্লেখ্য, চলতি বছরেই অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টি-২০ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সেই প্রসঙ্গেই এমনটা বলেন রোহিত।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর দ্বীপ জ্বালো কর্মসূচী সফল করতে রবিবার অনুরাগীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়েছিলেন রোহিত। রবিবার ‘হিটম্যান’ টুইটে লিখেছিলেন, ‘আমাদের জীবন নির্ভর করছে এই টেস্ট ম্যাচ জয়ের পর। আমরা এটাতে ভুল করতে পারি না। তাই আজ রাত ৯টায় ৯ মিনিটের জন্য প্রমাণ করুন আমরা কতটা সংহতিপরায়ণ। লাইট ফর ফাইট। আপনারা আমার সঙ্গে আছেন তো?’ ‘দ্বীপ জ্বালো’ কর্মসূচী সফল করার ডাক দিয়েছিলেন বিরাট কোহলি, যুবরাজ সিংরাও। কিন্তু অত্যুৎসাহী কিছু মানুষের চরম বোকামির নিদর্শনে বিরক্ত এরা সবাই।

ঘটনায় অবাক ভারতীয় দলের ফিঙ্গার স্পিনার রবচন্দ্রন অশ্বিনও। টুইটারে নিজের ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন জাতীয় দলের এই অফ-স্পিনার। তাঁর কথায়, ‘আমি তো ভেবে অবাক হয়ে যাচ্ছি মানুষ এত বাজি কিনল কোথা থেকে? আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে তারা এগুলো কিনল কখন?’ দেশ ২১ দিনের লকডাউন পিরিয়ডে রয়েছে। অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবার ক্ষেত্রে কেবল ছাড় রয়েছে। এমন সময় এত বাজি মানুষ কীভাবে কিনল, বিস্ময়ে হতবাক এই ফিঙ্গার স্পিনার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.