লন্ডন: কাউন্ট ডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে৷ আর মাত্র কয়েক ঘন্টার অপেক্ষা৷ তারপরই শুরু ক্রিকেটের মহাযজ্ঞ৷ ইংল্যান্ডের মাটিতে শুরু হতে চলেছে দ্বাদশতম ক্রিকেটবিশ্বকাপের আসর৷ প্রথম ম্যাচে কেনিংটনে ওভালে আয়েজক ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হতে চলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা৷

আরও পড়ুন- বাংলাদেশকে ৯৫ রানে হারিয়ে বিশ্বকাপের অন্তিম প্রস্তুতি বিরাটদের

একনজের দেখে নিন, হাইভোল্টেজ উদ্বোধনী ম্যাচে দুই দলের প্রথম একাদশ কেমন হতে পারে-

ইংল্যান্ড- দ্বাদশতম বিশ্বকাপের আসরে ফেভারিট বাছায়ের ক্ষেত্রে প্রাক্তনদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছে ইংল্যান্ড৷ ঘরের মাঠে এবার বিশ্বকাপ খেলতে নামছে ইংল্যান্ড৷ মর্গ্যানদের দলের ব্যাটিং-বোলিং সব বিভাগের দারুণ ভারসাম্য রয়েছে৷ বিশেষ করে ব্যাট হাতে বাটলার, বেয়ারস্টো ও জেসন রয় সাম্প্রতিক সময় বোলারদের দুশ্চিতার কারণে হয়ে দাঁড়িয়েছেন৷ সেকারণে বলাই হচ্ছে এই তিন ক্রিকেটার ইংল্যান্ড দলের গেমচেঞ্জার৷ বল হাতে গেম চেঞ্জার অবশ্যই তরুণ পেসার জোফরা আর্চার৷ আইপিএলে সাফল হওয়ার পর ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও বল হাতে সাফল্য পেয়েছেন৷ এবার বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড সমর্থকদের চোখ এখন জোফরার দিকে৷ আর অল-রাউন্ডারদের মধ্যে চোখ থাকবে বেন স্টোকস ও ক্রিস ওকসের দিকে৷

একনজের বিশ্বকাপ উদ্বোধনী ম্যাচে কী হতে পারে ইংল্যান্ডের প্রথম একাদশ
জেসন রয়, জনি বেয়াস্টো, জো রুট, ইয়ং মর্গ্যান(অধিনায়ক), বেন স্টোকস, জোস বাটলার(উইকেট কিপার), মইন আলি, ক্রিস ওকস, লিয়াম প্লানকেট/মার্ক উড(ফিট সার্টিফিকেট পেয়েছেন উড), জোফরা আর্চার ,আদিল রাশিদ৷

অন্যদিকে চাপমুক্তভাবে এবার বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে চলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা দল৷ প্রতি বছরই তারকা ঠাঁসা দক্ষিণ আফ্রিকা দলের উপর বাড়তি একটা প্রত্যাশা থাকে৷ আর এই চাপ সামলাতে না পেরেই নার্ভ ফেল করে তীরে এসে তরি ডোবায় প্রোটিয়ারা৷ এবার অবশ্য দলের নতুন মুখ রয়েছে, ব্যাটিং -বোলিং বিভাগ অন্য বছরগুলির থেকে আরও বেশি ভারসাম্যে ভরা৷ তবে ঐ, দক্ষিণ আফ্রিকা মানেই যেন নকআউটে দিয়ে লড়াই থেকে ছিটকে যাওয়া৷ সেই চোকার্স তকমা ঘোছানোর লড়াইয়ে নামবেন ডুপ্লেসি অ্যান্ড কোম্পানি৷

একনজরে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে উদ্বোধনী ম্যাচে কেমন হতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকা দল
হাসিম আমলা, কুন্টন ডি’কক(উইকেট কিপার), ফ্যাফ ডুপ্লেসি(অধিনায়ক), ভ্যান ডার ডাসেন, জে পি ডুমিনি, ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস, অ্যান্ডাইল ফেহেলুকোয়াও, কাসিগো রাবাদা, লুঙ্গি এনগিদি, ক্রিস মরিস, ইমরান তাহির৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.