তেহরান: ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি পারস্য উপসাগর তীরবর্তী একটি এলাকায় বিশ্বের বৃহত্তম মিথানল উৎপাদন কারখানা উদ্বোধন করলেন বৃহস্পতিবার।ইরানের উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার জেরে হওয়া ক্ষতি থেকে বাঁচতে এবার অপরিশোধিত জ্বালানী রফতানি করার বদলে বরং পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য রফতানির যে দিশা দেশের সর্বোচ্চ নেতা দেখিয়েয়েছেন সেটার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই কারখানা উদ্বোধন করা হল বলে জানানো হয়েছে।

গতকাল (বৃহস্পতিবার) একটি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় বুশেহর প্রদেশে ‘কভেহ’ পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স’ উদ্বোধন করেন প্রেসিডেন্ট রুহানি। এই কারখানা থেকে প্রতিদিন ‘এএ’ গ্রেডের ৭,০০০ মেট্রিক টন মিথানল উৎপাদিত হবে বলে জানানো হয়েছে।

বেসরকারি উদ্যোগে নির্মিত এই কারখানা স্থাপনে বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ১০০ কোটি ডলার। বার্তা সংস্থা ইরনা এমনটাই জানিয়েছে। পাশাপাশি আরও জানানো হয়েছে, এই কারখানা থেকে অপরিশোধিত জ্বালানী ব্যবহার করে বছরে প্রায় ৪০ কোটি ডলার মূল্যের পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

বুশেহর প্রদেশের ‘দেইর’ কাউন্টিতে ২২০ হেক্টর জমির উপর নির্মিত এই কমপ্লেক্সে দৈনিক ৬০ লাখ ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপন্ন হবে।

প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি এ প্রকল্প উদ্বোধন করে বলেছেন, আমেরিকার কঠিনতম নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলা করে এই প্রকল্প নির্মাণ করা হল। চলতি বছর শেষ হওয়ার আগে এ ধরনের আরও কয়েকটি প্রকল্প উদ্বোধন করা হবে বলেও জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট রুহানি।

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী বহুদিন ধরে সরাসরি অপরিশোধিত তেল ও গ্যাস রপ্তানির বিরোধিতা করে এসেছেন। বরং তিনি এর পরিবর্তে তেল প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে তেলজাত পণ্য তৈরি করে রফতানি করার পথ দেখান।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।