স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কথিত আছে, জরা-ব্যধি, মৃত্যু থেকে কি মুক্তির উপায় সত্যিই নেই? উত্তর খুঁজতে খুঁজতে কঠোর তপস্যা শুরু করেছিলেন শাক্যসিংহ সিদ্ধার্থ বা গৌতম। গয়ার কাছে গিয়ে তিনি বোধি লাভ করেছিলেন। সেই গয়াতেই ১০০ ফুটের গৌতম বুদ্ধের মূর্তি স্থাপিত হচ্ছে।

সেই মূর্তি তৈরির গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিশ্বের ‘সবচেয়ে বড় দুর্গা’ খ্যাত শিল্পী মিন্টু পালকে। বুদ্ধ ইন্টারন্যাশানাল ওয়েলফেয়ার মিশন আগামী বুদ্ধপূর্ণিমায় বুদ্ধগয়াতে ১০০ ফুট দীর্ঘ এই মূর্তি প্রতিষ্ঠা করবে। সম্পূর্ণ ফাইবার গ্লাস দিয়ে তৈরি হচ্ছে এই মূর্তি। বুদ্ধের শয়নমুদ্রার এই মূর্তির দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ১০০ ফুট।

উল্লেখ্য, সারনাথে বুদ্ধের দাঁড়ানো মূর্তিটি প্রায় ৮০ ফুট।কথিত আছে, সারনাথের চৌখণ্ডী স্তূপের কাছেই নাকি প্রথম উপদেশ দিয়েছিলেন গৌতম বুদ্ধ।

শিল্পী মিন্টু পাল জানালেন, এত বড় মূর্তিটি বিভিন্ন অংশে অংশে তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে নিয়ে যেতে ও বানাতে সুবিধা। বুদ্ধগয়াতে নিয়ে গিয়ে জোড়া লাগানো হবে।

সম্পূর্ণ মূর্তিটির রঙ হবে সোনালি। আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসে গয়াতে মূর্তিটি প্রতিষ্ঠা করার কথা। বুদ্ধ ইন্টারন্যাশানাল ওয়েলফেয়ার মিশনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক আর্যপাল ভিক্ষু জানিয়েছেন, কোশিনগরে পরিনির্বাণের আগে এই সিংহশয্যায় শুয়েই বুদ্ধ তার শেষ বাণী বলে গিয়েছিলেন।

মূর্তির পরতে পরতে সেই সর্বত্যাগী বৈরাগ্যের ছাপ, চির অবসরের আনন্দ। তাই এই মূর্তির অন্য কদর বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের কাছে। তাঁর দাবি, এটি সব বুদ্ধমূর্তিকে ছাপিয়ে যাবে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও