নয়াদিল্লি: যদিও বড়োসড়ো সংস্কারের পথে এগিয়ে ভারত ভারত বর্তমান অবস্থার মোকাবেলা করছে, তবে এই সময় নজর দেওয়া দরকার স্থানীয়ভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে। করোনা অতি মহামারী সংকট মোকাবিলায় অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে স্থানীয় অর্থনীতি খেলাটা ঘুরিয়ে দিতে পারে। অতি মহামারীর সময় এবং তার পরবর্তী কালে স্থানীয় অর্থনীতিকে ঠিকমতো সহায়তা করাটা জরুরী বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক।

বিশ্বব্যাংকের মতে, গ্রামাঞ্চলের স্থানীয়ভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য তিনটি বিষয়ে জোর দিতে হবে। প্রথমত দেখতে হবে ওই নির্দিষ্ট অঞ্চলটি কতটা সক্ষম তা নিজের সুবিধার্তে কাজে লাগাতে। তারপর গরিব মানুষগুলির সঙ্গে ভ্যালু চেইনের একটা সংযোগ স্থাপন করতে হবে। আর বিনিয়োগ করা যাতে স্থানীয় ব্যবসার পরিবেশের উন্নতি ঘটে ইন্টারনেট বিদ্যুৎ অন্যান্য পরিকাঠামোগত ভাবে।

এক্ষেত্রে প্রশংসিত হয়েছে ভারত কারণ যেভাবে মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ন্যাশনাল রুরাল লাইভহুড মিশনের মাধ্যমে মাস্ক এবং স্যানিটাইজার তৈরি ও সরবরাহ করা হয়েছে এবং কমিউনিটি কিচেনের মারফত খাদ্য সরবরাহ করা হয়েছে তার জন্য। স্থানীয়ভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ধরা হয়েছে খুবই সংকটজনক নির্ধারক যা গুণগত দিক থেকে অর্থনৈতিক বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, করোনা অতি মহামারী পরবর্তী সময়ে স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য দরকার নতুন সাহসী ভাবনাচিন্তা যা মহিলা, যুবক সম্প্রদায়কে ও অসংগঠিত কর্মীদের সহায়তা করবে এবং ক্ষুদ্র ও ছোট উদ্যোগুলিকে যাতে বাঁচাতে পারা যাবে। এটা ঘটনা এই অতি মহামারী মহিলা যুব এবং অসংগঠিত শ্রমিকদের রীতিমতো ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে।

পাশাপাশি সুপারিশ করা হয়েছে, বিনিয়োগ করতে যাতে ‘কমিউনিটি ইনভেস্টমেন্ট ক্লাইমেট ‘এর উন্নতি ঘটে এবং কমিউনিটির সঙ্গে ভ্যালু চেইনের সংযোগ স্থাপন করা যায় ও উৎপাদনশীল পরিকাঠামো গড়া যায়। এক্ষেত্রে ডিজিটাল টেকনোলজি ব্যবহার করার কথা বলা হয়েছে ব্যবসার পরিবেশ এবং জীবনধারণের উন্নতির জন্য।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।