নয়াদিল্লি: করোনা সংকটের জেরে ভারতের অর্থনীতি ভালোমতোই মন্দার কবলে পড়ছে। কারণ সোমবার বিশ্ব ব্যাংকের পূর্বাভাসে চলতি‌ অর্থবর্ষে ভারতের অর্থনীতির ৩.২ শতাংশ সংকোচন হবে বলা হয়েছে। যদিও এর আগে গত জানুয়ারি মাসে পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ভারতের অর্থনীতি ৬ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাবে।

কয়েক মাসের মধ্যে ফের অবস্থা পর্যালোচনা করে বিশ্বব্যাংক পূর্বাভাস দিল তার ফলে ৬ শতাংশ বৃদ্ধি থেকে ৩.২ শতাংশ সংকোচন এতটা ফারাক ঘটে গেল। এর কারণ হিসেবে যুক্তি দেখানো হয়েছে, করোনা অতি মহামারীর আকার ধারণ করা এবং তা রুখতে যেভাবে দফায় দফায় লকডাউন জারি করা হয়েছিল তার মারাত্মক প্রভাব পড়েছে এদেশের অর্থনীতি।

তবে আগামী বছর অর্থনীতি কিছুটা ঘুরে দাঁড়াবে বলেই আশা প্রকাশ করেছে বিশ্ব ব্যাংক। বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক রিপোর্ট জানাচ্ছে, গত মার্চ মাসে শেষ হওয়া অর্থবর্ষে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধি কমে ৪.২ শতাংশ হয়েছে। তবে ২০২০-২১ অর্থবর্ষে করোনার পুরো প্রভাব বোঝা যাবে। সে ক্ষেত্রে আপাতত অনুমান করা হচ্ছে সংকোচনের পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াবে ৩.২ শতাংশ।

বিশ্বব্যাংকের অভিমত, করোনা যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য লকডাউন জারি করা হয়েছিল। আরএই লকডাউনের ফলে দেশের অর্থনৈতিক কাজকর্ম প্রায় লাটে ওঠে। গোটা দেশের প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। আর ভারতের অর্থনৈতিক সংকোচনের জন্য দায়ী এই অবস্থাটাই।

প্রসঙ্গত এর আগে আন্তর্জাতিক মূল্যায়ন সংস্থা মুডিজ, ফিচ, স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড পুওরস, ভারতের অর্থনৈতিক সংকোচন এর কথা বলেছিল। পাশাপাশি ভারতীয় মূল্যায়ন সংস্থা ক্রিসিল জানিয়েছিল, স্বাধীনতার পর এই নিয়ে চতুর্থবার মন্দার মুখোমুখি হতে হচ্ছে ভারতকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।