স্টাফ রিপোর্টার, হলদিয়া: রাজ্য মৎস্য দফতরের উদ্যোগে পঞ্চায়েতস্তরে মাছ চাষ বিষয়ক কর্মশালা ‘মীনকথা’ সরকারের নতুন কর্মসূচি। মঙ্গলবার থেকে হলদিয়ার দেভোগ পঞ্চায়েত ও চকদ্বীপা গ্রাম পঞ্চায়েতে শুরু হয়েছে দুদিনের ‘মীন কথা’ কর্মশালা।

মঙ্গলবার দেভোগ গ্রাম পঞ্চায়েতে ‘মীনকথা’ কর্মশালায় আলোচক হিসেবে ছিলেন, হলদিয়া ব্লকের মৎস্যচাষ সম্প্রসারণ আধিকারিক সুমন কুমার সাহু। অতিথি আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় ও রাজ্য পুরস্কার প্রাপ্ত মৎস্য বিশেষজ্ঞ তথা মৎস্য বিজ্ঞানী প্রতাপ মুখোপাধ্যায়।

এই সভায় মাছ চাষের বিভিন্ন দিক যেমন আলোচনা করা হয় তেমনি সরকারি সুযোগ সুবিধার কথা তুলে ধরা হয়। প্রতিটি কর্মশালায় ৮০ জন পুকুর মালিক, মাছ চাষি ও উৎসাহী যুবক যুবতীরা অংশগ্রহন করছেন।

মাছ চাষ বিষয়ক এই আলোচনা সভায় জানানো হয়, মাছ চাষিরা কী ধরনের মাছ চাষ করবেন তা নির্বাচন প্রথমেই করতে হবে। পুকুরের আয়তন গভীরতা , বছরে কত মাস জল থাকে ও পুকুরের জলে রাসায়নিক গুনাবলী ইত্যাদি বিবেচনা করে। পুকুরের জল পরীক্ষার বিষয়ে হাতে কলমে প্রশিক্ষনও দেওয়া হয় এই দিন। ‘মীন কথা’ কর্মশালায় কর্মাধ্যক্ষ গোকুল মাঝি, দেভোগ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সত্যেন তুঙ্গ সহ পঞ্চায়েতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ সহ মাছ চাষের বিভিন্ন কঠিন বৈজ্ঞানিক দিক গুলো সহজ সরল ভাবে তুলে ধরেন মৎস্য বিঞ্জানী প্রতাপ মুখোপাধ্যায়ে। বিখ্যাত মৎস্য বিশেষজ্ঞ এর উপস্থিতি পঞ্চায়েত স্তরে মানুষের কাছে মাছ চাষ বিষয়ক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ায় এলাকায় বেশ উৎসাহ সৃষ্টি হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.