কলকাতা: অবসাদ এমন এক রোগ যা যে কোনো ক্ষেত্রে দেখা দিতে পারে। কাজ হোক বা ব্যক্তিগত জীবন দুটোই প্রভাবিত হয় এর দ্বারা। তবে আপনি যত নিজেকে সকলের থেকে দূরে সরাবেন এটি আপনাকে তত জাপ্টে ধরবে। তাই সবার আগে বোঝা দরকার কী কারণে হচ্ছে এই অবসাদ। কাজের ক্ষেত্রে মূলতঃ কাজের পরিবেশ ভালো না হলে বা যাবতীয় সুবিধে না পেলে কিংবা কাজ সময়ে শেষ করতে না পারলে নিজের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে যায়। এর থেকে নানা সম্ভাবনা মাথায় আসে যা আস্তে আস্তে আপনার স্নায়ুতন্ত্রকে দুর্বল করে দেয়। ফলে কাজের উৎপাদন ক্ষমতা কমে যেতে পারে, কাজে যোগদানের সময় কমে যায় আবার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য খারাপ হতে থাকে ঘন ঘন।
এখন প্রশ্ন হলো কোন কোন সংকেত দেখে বুঝবেন আপনি কাজের দিক দিয়ে মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত?

১. সারাদিন কাজ নিয়ে ভাবতে থাকা। হয়তো কাল বা আজ আপনার কোনো মিটিং বা প্রেজেন্টেশন আছে, আপনি এখন থেকেই তা নিয়ে চিন্তা করছেন বা উত্তেজিত হয়ে পড়ছেন এটা ভেবে যে কোনো কারণে যদি আপনার পারফর্মেন্স খারাপ হয় তাহলে কী ফল হতে পারে। এর প্রভাবে আপনি রেগে যাচ্ছেন বা কাঁদছেন বা কথা বলছেন না কারুর সাথে এমনটাও হতে পারে।

২. কাজ করার কোনো উৎসাহ পাচ্ছেন না। কাজের কথা ভাবলেই মনে হচ্ছে কোনো বাহানা দেখিয়ে ছুটি নিয়ে নিন বা বাড়িতে বসে থাকুন চুপচাপ। একটা দুঃখ ভোর করছে আপনাকে অফিসের নাম শুনলেই।

আরো পোস্ট- ভোর থেকে রাত, নন্দীগ্রামে মমতার ভোটের প্রচার তুঙ্গে

৩. কাজের যে কোনো জিনিস বারবার মনে না রাখা বা নতুন কোনো কাজ এলে সেটা মনে করার চেষ্টা না করাটাও একটা লক্ষণ।

৪. খিদে না পাওয়া বা খাবারের সময় বমিভাব, মাথাব্যথা বা ওজন হঠাৎ বেড়ে যাওয়া কিংবা কমে যাওয়া। কাজের ফাঁকে ঘুমিয়ে পড়া বা বাড়িতে বেশি সময় ঘুমিয়ে কাটানো। এসবের ফলে আপনার ত্বকেও দেখা দেয় ডার্ক সার্কেল, বলিরেখা, ব্রণ, কালো ছোপ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.