আজকাল বেশিরভাগ মানুষের কাজের সময় বেড়ে গেছে। ওয়ার্ক ফ্রম হোম (work from home) হয়ে যাওয়ায় বাড়ির কাজ এবং অফিস অনেককে একসাথে সামলাতে হচ্ছে।

সে কারণে সময়টাও দুই দিকে ভাগ হয়ে গেছে। এত কিছু একসঙ্গে ম্যানেজ করতে গিয়ে শারীরিক পরিশ্রমের পরিমাণ কমে গেছে এবং কাজের সময় বেড়ে গেছে।

তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (world health organization) এ নিয়ে নতুন একটি গবেষণা করেছে যার ফলাফল আপনাকে চমকে দেবে।

২০১৬ সালে যে তথ্য পাওয়া যায় তার থেকে জানা যায় যে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় বেশি সময় ধরে কাজ করার (work from home) ফলে রোগ এবং এ সংক্রান্ত রোগের 7 লক্ষ 45 হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে ২০০০ সালের পর থেকে এই সংখ্যা নাকি ২৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

আরো পোস্ট-  আপনার এই কয়েকটি ভুলে বাড়িতে টিকবে না মা লক্ষ্মী!

রিপোর্ট অনুযায়ী, অফিসের জন্য নির্ধারিত যে সময়ে তার বাইরে অতিরিক্ত সময় কাজ করা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। ওই সংস্থা (world health organization) জানিয়েছে যে সপ্তাহে অন্তত ৫৫ ঘন্টা কাজ করার ফলে ৩ লক্ষ ৯৮০০০ লোক এবং ৩ লাখ ৪৭ হাজার লোকের হৃদ রোগ সংক্রান্ত কারণে (heart disease) মৃত্যু হয়েছে।

এরপরে ২০০০ সালের পর থেকে দেখা গেছে যে এই অতিরিক্ত সময় কাজ করার ফলে হৃদ রোগ সংক্রান্ত সমস্যা (heart disease) থেকে যে মৃত্যু হয়েছে সেই সংখ্যাটি ৪২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং স্ট্রোক থেকে হওয়া মৃত্যুর যে সংখ্যাটি পাওয়া গেছে তা ১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

অতিরিক্ত সময় কাজ করার ফলে হওয়া রোগগুলি বেশিরভাগ পশ্চিম প্রশান্ত এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অঞ্চলে বাস করা মধ্য বয়সী এবং বয়স্ক বাসিন্দাদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে। এর পাশাপাশি ৭২% মৃত্যু পুরুষদের হয়েছে।

এর মধ্যে বেশির ভাগ মৃত্যু ৬০ থেকে ৭৯ বয়স বয়সের এবং ৪৫ থেকে ৭৪ বছর বয়সের লোকদের হয়েছে।

পরীক্ষা বলছে যে সপ্তাহে ৩৫ থেকে ৪০ ঘণ্টা কাজ করার বদলে প্রতি সপ্তাহে ৫৫ ঘন্টা বা তার থেকেও বেশি ঘন্টা কাজ করার ফলে স্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা ৩৫ শতাংশ বা তার থেকেও বেশি বেড়ে যায়।

এর ফলে অনেকেই অকাল বার্ধক্য এবং অকাল মৃত্যুর শিকার হচ্ছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.