ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি:  সরকারী কর্মচারীরাই পেনশনের আওতায় পড়েন৷ এমনই ধারণা একাংশের৷ কিন্তু, অনেকেই জানেন না বেসরকারি কর্মচারীরাও পেতে পারেন পেনশনের সুবিধা৷ তবে, তার জন্য রয়েছে বেশ কিছু শর্তাবলী৷ ২০ বা তার অধিক কর্মীযুক্ত বেসরকারি সংস্থাগুলির প্রভিডেন্ট ফাণ্ড স্কিমের একটি অংশ হল এম্পোয়িস পেনশন স্কিম (ইপিএস)৷

২০ বা তার কম কর্মীযুক্ত বেসরকারি সংস্থাগুলির জন্য এই প্রকল্পটি ঐচ্ছিক বিষয়৷ একই নিয়ম প্রযোজ্য থাকছে পিএসইউএস এবং আধা-সরকারি সংস্থাগুলির উপর৷

বেসরকারি কর্মী, যাদের বেতন ১৫,০০০ টাকা (বেসিক স্যালারি) তাদের জন্য প্রকল্পটি বাধ্যতামূলক৷ অন্যদিকে, যেসব বেসরকারি কর্মীদের মাসিক বেতন ১৫,০০০ টাকার (বেসিক স্যালারি) বেশি তাদের জন্য প্রকল্পটি ঐচ্ছিক৷ ইপিএফওতে রেজিস্টার করা বেসরকারি কর্মীদের জন্যই এই ইপিএফ অ্যাকাউন্টটি৷ বেসরকারি কর্মীদের ১২ শতাংশ ম্যাচিং কনট্রিবিউশনের মধ্যে ৮.৩৩ শতাংশ জমা হয় ইপিএস খাতে৷ মোট ২৪ শতাংশের (১২ শতাংশ কর্মীর এবং ১২ শতাংশ নিয়োগকর্তার কনট্রিবিউশন)মধ্যে ১৫.৬৭ শতাংশ জমা হবে ইপিএফে৷ উপযুক্ত বেসিক স্যালারির উপরে কেন্দ্রীয় সরকার দেবে ১.১৬ শতাংশ৷

পেনশনের টাকার হিসেব করার জন্য ব্যবহৃত হয় একটি ফর্মুলা, X=AxB/70৷ (X=মাসিক পেনশন, A-পেনশনেবল স্যালারি, B-পেনশনেবল সার্ভিস)৷ ১০ বছর বা তার বেশি সময় ধরে পারিশ্রমিক জমা করার পর তবেই কোন ব্যাক্তি পেনশন পাওয়ার উপযুক্ত বলে গণ্য হবেন৷ শুধু তাই নয়, দেখা হবে সেই ব্যাক্তির অবসর গ্রহণের সময়ের বয়সসীমাও (৫৮ বছর)৷ একইভাবে ৫০ বছর বয়সে অবসর গ্রহণকারী ব্যাক্তিরা আর্লি পেনশনের সুবিধাও পেতে পারবেন৷ তবে, আর্লি পেনশন নেওয়ার জন্য প্রতিবছর পেনশনের টাকা থেকে কমবে ৪ শতাংশ৷ যদি, কোন কারণে পেনশন গ্রহীতার মৃত্যু হয়৷ তবে, তাঁর পেনশনের টাকা পাবেন তাঁর পরিবার৷