স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: আন্তর‌াজ্য ট্রেন চলাচলের ক্ষেত্রে যাত্রী বিশেষ করে শ্রমিকদের বিনা চেকআপেই ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। যার ফল ভুগতে হচ্ছে এ রাজ্যের শ্রমিক ও তাঁর পরিবারকে। রেলের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “যাঁরা ভিনরাজ্য থেকে আসছে, তাঁদের তো ফেরাতে পারি না। তাঁরা আমাদের ভাই। কিন্তু রেল ইচ্ছাকৃতভাবে এটা করছে। সমস্ত রাজ্য খালি করে বাংলায় পাঠিয়ে দিচ্ছে। কাউকে কোনওরকম পরীক্ষা ছাড়াই পাঠিয়ে দিচ্ছে। আমাদের সরকারের অনুরোধও শুনছে না। আজকেও অনুরোধ করা হয়েছে সমস্ত দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করার।”

করোনা ভাইরাসে ত্রস্ত গোটে দেশ। আপাতত রাজ্যে রাজ্যে লকডাউন। পুনে, মুম্বই-সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে ফিরছেন কমপক্ষে ১০ হাজার এরাজ্যের বাসিন্দা। করোনাভাইরাসের জেরে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সব জায়গাতেই ছুটি দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাঁরা রাজ্যে ফিরে আসছেন।

এদিকে রাজ্যে মিলেছে আরও এক করোনা আক্রান্তের হদিশ। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চার। কেন্দ্রের ভূমিকায় বিরক্ত মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি একা আর কত সহ্য করব?

করোনা সংক্রমণ রুখতে মরিয়া রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই রেলকে চিঠি লিখে আপাতত দূরপাল্লার ট্রেন পরিষেবা বন্ধ রাখার আর্জি জানিয়েছে নবান্ন। চিঠিতে বলা হয়েছে, নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের জেরে ২২ মার্চ মধ্যরাত থেকে পশ্চিমবঙ্গের বাইরে থেকে আসা ট্রেনগুলি বন্ধ করা হোক। আপাতত তা ৩১ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর করার আবেদন জানিয়েছে রাজ্য।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।