ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, বালুরঘাট : পুলিশের সহযোগিতায় তৃণমূলিরা খুন করছে বিজেপি কর্মীদের। এক্ষেত্রে পুলিশ প্রতি নিয়ত অভিযুক্তদের আড়াল করার চেষ্টা করছে।

বৃহস্পতিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে মৃত এক দলীয় কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করে এমনই অভিযোগ করলেন বিজেপি সায়ন্তন বসু। এদিন সায়ন্তন বসুর সঙ্গে ছিলেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার ও দলীয় অন্যান্য নেতারা।

বুধবার দুপুরে গঙ্গারামপুর থানার শুকদেবপুর এলাকা থেকে বিজেপির বুথ সভাপতি স্বাধানী রায়ের মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপুরে কাঁঠালহাটে সব্জী বিক্রি করতে গিয়েছিলেন। দুপুর নাগাদ বাঁশপাড়া এলাকার কাছে রাস্তার ধার থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান হাট থেকে ফেরার পথে কোথাও করেছিলেন। অতিরিক্ত মদ্যপান করাতেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাইক থেকে পড়ে দিয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। রাতেই তাঁর মৃতদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়।

স্বাধীন রায়কে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরাই খুন করেছে বলে অভিযোগ করে বিজেপি। বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন, মৃত্যু স্বাধীন রায় তাঁদের কুশমন্ডি বিধানসভা কেন্দ্রের ১৬৬ নম্বর বুথের সভাপতি ছিলেন। তাঁর স্ত্রী বেলা রায় মহিলা মোর্চার নেত্রী গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন।

বৃহস্পতিবার মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। তিনি অভিযোগ করে বলেন তৃণমূলের লোকেরাই গলায় ফাঁস লাগিয়ে তাঁকে হত্যা করেছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি তিনি করেছেন।

পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন যে মদ খেয়ে মৃত্যু হয়েছে দেখিয়ে পুলিশ পুরো ঘটনাটি আড়াল করার চেষ্টা করছে। যে কারণে রাতেই স্বাধীন রায়ের মৃতদেহের ময়নাতদন্ত করিয়েছে।

এদিন মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর সায়ন্তন বসুর নেতৃত্বে দলীয় নেতাকর্মীরা গঙ্গারামপুর থানার আইসির কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত দাবী জানান। ও স্বাধীন রায়ের খুনের সঙ্গে জড়িত অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।