কলকাতাঃ  করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আগামী ২১ দিনের জন্য দেশবাসীকে নিজেদের ঘরে থাকতেই আবেদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদীর কথা মেনে লকডাউন পালন করছেন রাজ্য বিজেপি নেতারাও। লকডাউন চলাকালীন বাড়ি বসেই কাজের নির্দেশ বঙ্গ বিজেপির নেতা-কর্মীদের। করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকারের পদক্ষেপের কথা সাইটে প্রচার করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিজেপি নেতা কর্মীদের।

ঘরে বসে নেতাকর্মীরা যাতে রাজনৈতিক কাজকর্মের অভ্যেস ভুলে না যান তা ঠিক করতেই বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের এই নির্দেশ। যদিও করোনাকে পাখির চোখ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মানবিকতার খাতিরে রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কথা বলছেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে। বাজার দর থেকে সারপ্রাইজ ভিজিট করছেন মুখ্যমন্ত্রী। যা তাঁকে অনেকটাই সবক্ষেত্রেই এগিয়ে রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। ভয়াল করোনা ক্রমেই গ্রাস করছে গোটা বিশ্বকে। ভারতেও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে মারণ করোনা।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় মঙ্গলবার রাত থেকেই দেশজুড়ে জারি হয়েছে লকডাউন। এদিকে টানা ২১ দিন ঘরে বসে শুধু গল্প-গুজব করে নেতাকর্মীদের সময় কাটাতে দিতে নারাজ বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতারা। দলের নেতাকর্মীদের ওয়ার্ক ফ্রম হোম টাস্ক দিয়েছেন শীর্ষ নেতৃত্ব। করণা আতঙ্কে লাটে উঠেছে পুরো ভোটের প্রস্তুতি।

তবে আতঙ্কের এই প্রহর শেষ হলেই শুরু হবে পুর ভোট। লকডাউন চলাকালীন বাড়ি থেকেই দলের প্রচার চালানোর কৌশল বাতলে দিয়েছেন শীর্ষ নেতারা। তবে এই প্রচার একেবারেই রাজনৈতিক নয়, করোনা মোকাবিলায় কি কি পদক্ষেপ করছে কেন্দ্রীয় সরকার কি পদক্ষেপ করছে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি, কি পদক্ষেপ নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার?

সেই দিকগুলি তুলে ধরেই ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টুইটারে তুলে ধরার নির্দেশ দলের নেতাদের দিয়েছেন শীর্ষ নেতারা। রাজ্য বিজেপির এক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, বাড়িতে বসে সোশ্যাল সাইট মারফত কোনরকম রাজনৈতিক প্রচার চালাতে বলা হয়নি।

দলের নেতাদের একইভাবে দলের আইটি সেলকেও রাজনৈতিক ভাবে কোন প্রচার চালাতে নির্দেশ দেওয়া হয়নি। করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্র ও রাজ্য দুই সরকারেরই সদর্থক পদক্ষেপগুলি সোশ্যাল সাইটে তুলে ধরতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দেশের এই সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে রাজনীতি করতে চায় না বঙ্গ বিজেপি। বরং সংকটের এই দিনে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারকে সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বঙ্গ বিজেপির নেতারা।