নয়াদিল্লি: অতিমারি করোনা ভাইরাস ভারতে মহিলা ক্রিকেটের অগ্রগতি অন্ততপক্ষে দু’বছর পিছিয়ে দেবে। এমনটাই মনে করেন ৫০ ওভারের ফর্ম্যাটে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের অধিনায়িকা মিতালি রাজ। ওয়ান-ডে দলনায়িকার কথায়, যা পরিস্থিতি তাতে মহিলাদের আইপিএল দিনের আলো দেখতে দেখতে এখনও তিন বছর।

স্পোর্টস ইকোসিস্টেমের পুনর্গঠন নিয়ে এক ওয়েবিনারে ওয়ান-ডে ক্রিকেটের সর্বাধিক রানসংগ্রাহিকার কথায়, ‘দুর্ভাগ্যের বিষয় ২০১৭ ক্রিকেট বিশ্বকাপ এবং ২০২০ টি২০ বিশ্বকাপের পর মহিলা ক্রিকেট দলের যে মোমেন্টাম তৈরি হয়েছিল সেটা এই অতিমারির জেরে একেবারে ভেঙে গিয়েছে। যা ফিরিয়ে আনতে অন্ততপক্ষে দু’বছর সময় লাগবে।’ করোনা পরবর্তীতে মহিলা ক্রিকেটের জন্য যাতে যথাযথ একটি ক্যালেন্ডার বানানো হয় সেবিষয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গেও কথা বলেছেন বলে জানিয়েছেন মিতালি।

ওয়ান-ডে দলনায়িকার কথায়, ‘বিসিসিআই’য়ের সঙ্গে আমরা আলোচনা করেছি এবং মহিলা ক্রিকেট দলের কথা ভেবে তাঁদের একটা মজবুত ক্যালেন্ডার বানানোর কথা বলেছি। এতে সমর্থকেরাও প্রতিনিয়ত তাদের প্রিয় দলকে সমর্থন করার সুযোগ পাবে।’ তবে করোনার জেরে বেশ কিছুটা পিছিয়ে গেলেও যত দ্রুত সম্ভব মোমেন্টাম ফিরিয়ে আনবেন তাঁরা। এবিষয়ে দৃঢ় প্রত্যয়ী মিতালি।

মিতালি ওয়েবিনারে বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা ব্যাপকভাবে ধাক্কা খেয়েছে ঠিকই কিন্তু আমরা খুব শীঘ্রই পুরনো অবস্থানে ফিরে যাব এটা আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস। আমার মনে হয় মহিলাদের আইপিএল পুরোদমে চালু হতে এখনও দু-তিনবছর সময় লেগে যাবে। তবে তার আগে আমরা উইমেন্স চ্যালেঞ্জ কাপের জন্য চতুর্থ টিম খোঁজার চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

উল্লেখ্য, বিগত কয়েক বছরে ভারতের মহিলা ক্রিকেট দল যে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে সেট আর বলার অপেক্ষা রাখে না। শুধু তাই নয়, জনপ্রিয়তার নিরিখে কোহলিদের সঙ্গে রীতিমতো পাল্লা দিয়েছেন হরমনপ্রীত-মিতালিরা। চলতি বছর মহিলাদের টি২০ বিশ্বকাপ উপভোগ করতে টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রেখেছিলেন ১.১ বিলিয়ন মানুষ। যা একটি ল্যান্ডমার্ক স্থাপন করেছে। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ভারত-অস্ট্রেলিয়া মেগা ফাইনাল দেখতে হাজির হয়েছিলেন ৮৬ হাজার সমর্থক। যার সিংহভাগই ভারতীয়।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ