মুম্বই: দিয়া-সাহিলের বিয়ে-বিচ্ছেদের পিছনে জড়িয়ে গেল এক সুন্দরী সাহিত্যিকের নাম। শুধু সাহিত্যিক নন সেই সুন্দরী। তিনি নিয়মিত লিখে থাকেন চিত্রনাট্যও। সেই সুন্দরী সাহিত্যিক তথা চিত্রনাট্যকারের নাম কণিকা ঢিলোঁ। তাঁর জন্যই নাকি ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এক দশকের বেশি সময় ধরে সংসার-করা এই দম্পতি। এমনই দাবি করেছে বেশ কিছু সংবাদ মাধ্যম।

শোনা যাচ্ছে, কিছুদিন ধরেই চলছিল সাহিল-কণিকার পরকীয়া। সাম্প্রতিক অতীতে দু’জনকে বেশ কয়েক বার একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। আর এর জেরেই সাহিলের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলি তারকা দিয়া মির্জা। সম্প্রতি তিনি সাহিলের সঙ্গে বিয়ে বিচ্ছেদের কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান। যদিও এই জল্পনা নিজেই উড়িয়ে দিয়েছেন দিয়া। তিনি সাফ জানিয়েছেন, তাঁর বিচ্ছেদের জন্য অন্য কোনও মহিলা দায়ী নন।

দিয়ার কথায়, দাম্পত্যের সম্পর্ক ভেঙে গেলেও সাহিলের সঙ্গে বন্ধুত্ব থাকবে তাঁর এবং দু’জনের মধ্যেকার এই বন্ধুতাকে সবাই যেন সম্মান জনক চোখে দেখেন। দিয়া-সাহিল এক সময় বিজনেস পার্টনার ছিলেন। সেখান থেকেই তাঁদের মধ্যে প্রেম। দীর্ঘদিন লিভ-ইন করেন দু’জন। এরপর সাতপাকে বাঁধা পড়েন দিয়া এবং সাহিল।

তরুণ সাহিত্যিক হিসেবে সুনাম অর্জন করেছেন কণিকা ঢিলোঁ। ইতিমধ্যেই তাঁর তিনটি উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে। পাঞ্জাবের অমৃতসরের বাসিন্দা কণিকা, লন্ডন স্কুল অব ইকনমিক্সে পড়াশোনা করেছেন। ২০০৭ সালে ফারহা খান পরিচালিত ‘ওম শান্তি ওম’ ছবির মধ্যে দিয়ে সিনে দুনিয়ায় প্রবেশ করেন তিনি। ওই ছবিতে অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেকটরের দায়িত্ব সামলেছিলেন কণিকা। পরিচালক প্রকাশ কোভালমুড়ির সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। বছর দুয়েক আগে সেই বিয়ে ভেঙে যায়।