স্টাফ রিপোর্টার, কোলাঘাট: পুজোর আর মাত্র হাতে গোনা কয়েকটা দিন বাকি। তারপরেই শুরু হয়ে যাবে বছরভর অপেক্ষার শেষে আগত সেই কাঙ্ক্ষিত দিন গুলিকে ঘিরে বাঙালির উন্মাদনা। আর শহর থেকে শহরতলি ইতিমধ্যে উৎসবপ্রেমী বাঙালি শুরু করে ফেলেছে পুজোর কাউন্ট ডাউন। বিকাল পড়লেই গড়িয়া থেকে হাতিবাগান বা শহরতলির মার্কেট গুলিতে উপচে পড়ছে ক্রেতাদের ভিড়।

এত আনন্দ এত আলোর রোশনাইয়ের মাঝে যাদের কথা চাপা পড়ে থাকে,পুজোর দিনগুলিতে যাদের কথা ভাবার ফুসরত নেই আমবাঙালির। তাঁদের কথা ভেবেই এবার আর পাঁচটা মধ্যবিত্ত বাড়ির বাচ্চাদের মত তারাও যাতে নতুন জামাকাপড় পড়ে পুজোয় ঘুরতে পারে মজা করতে পারে সেই ব্যবস্থায় করতে চলেছে পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটের এক মহিলা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা কল্যানদীপ।

জানা গিয়েছে, আর মাত্র হাতেগোনা কয়েকটা দিন বাকি পুজোর ।আর এই পুজো এলেই প্রত্যেক বাঙালি নতুন জামা কাপড় পড়ে মজাই আনন্দে কাটান পুজোর দিনগুলি। কিন্তু এই আনন্দ অনেকের ভালো কাটলেও আর্থিক সংগতি ভালো না থাকায় অনেক ছেলে মেয়ের নতুন জামা কাপড় পরনে জোটেনা। আর তাই এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে কিছু দরীদ্র পরিবারের ছেলেমেয়েদের পুজোর দিনে যাতে নতুন জামা কাপড় পরনে উঠতে পারে সেই ব্যবস্থাই করছে তাঁদের সংস্থা।

সূত্রের খবর, মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়ে কোলাঘাট এলাকার কিছু মহিলা মিলে গত বছর থেকে পথ চলা শুরু করে। কয়েকমাসে বেশকিছু সমাজসেবা মূলক কাজে লিপ্ত থাকার পর এবার অসহায় ছেলেমেয়েদের বাংলার শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গা পুজোয় যাতে নতুন পোশাক তাঁরা পরতে পারে সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে রবিবার বিকেলে ১০০ জন দুঃস্থ শিশুদের হাতে নতুন পোশাক তুলে দিল এই মহিলা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা কল্যানদীপ।

জানা গিয়েছে, শুধু নতুন পোষাক নয় বাচ্চাদের জন্য পেনসিলবক্স, ওয়াটার বোতল, মেয়েদের সাজের গহনাও তুলে দেওয়া হয় দুঃস্থদের।পাশাপাশি অব্যবহৃত পোশাক ও জিনিসপত্র এলাকার মানুষজন তুলে দেন দুঃস্থ মানুষের উদ্দেশ্যে। জানা গিয়েছে এইরকম প্রায় ২০০ জন গরীব মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হয় বিভিন্ন পোষাক ও জিনিসপত্র।