মহিষাদল: বাংলায় যাতে একটিও গরীব, দরিদ্র পরিবার না থাকে তার জন্য বর্তমান রাজ্য সরকার একাধিক প্রকল্পের মাধ্যমে মহিলাদের স্বনির্ভর করে তোলার কাজ শুরু করেছে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় স্ব-সহায়ক দল গড়ে তাদের আর্থিক সাহায্য করে মহিলাদের বিভিন্নভাবে স্ব-নির্ভর করে তোলা হচ্ছে। এমনটাই জানালেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পঞ্চায়েত এন্ড ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্ট এর সচিব ছোটেন ধেনদুপ লামা। এতে মহিলাদের রোজদারের ক্ষেত্রে নয়া দিগন্ত খুলে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আজ বৃহস্পতিবার মহিষাদল ব্লকের ইটামগরা-১ ও লক্ষ্যা – ২ জিপির স্ব সহায়ক দলের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন ছোটেন ধেনদুপ লামা। এবং তাদের তৈরি জিনিসপত্র ঘুরে ঘুরে দেখেন। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার স্ব সহায়ক দলের প্রতিনিধিদের কাজে খুশি তিনি। এদিন সচিবের সঙ্গে দফতরের অন্যান্য প্রতিনিধি, জেলা প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বৃহস্পতিবার সারাদিন মহিষাদল ব্লকের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে দেখেন প্রতিনিধিরা। পূর্ব মেদিনীপুরের, ধান, পান, গহনা বড়ি সহ অন্যান্য কাজ দেখে খুবই খুশি হয়েছেন সচিব। সচিবকে কাছে পেয়ে স্ব নির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা তাদের অভাব অভিযোগের কথা তুলে ধরতে পারায় খুশি তারা।

এদিন মহিষাদল ব্লকের লক্ষ্যা- ২ গ্রামপঞ্চায়েতের স্ব সহায়ক দলের দ্বারা চাষ করা পান, তাদের তৈরি গহনা বাড়ি, বাচ্চাদের খেলনা, শীতের নানা ধরনের পোশাক দেখে খুশি সচিব সহ অন্যান্য প্রতিনিধিরা। এই গ্রামপঞ্চায়েতে মোট ১০৮ টি গ্রুপ রয়েছে। যেখানে এলাকার প্রায় ২৫০০ মহিলা নানা ধরনের হাত কাজ করে মাসে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা উপার্জন করে চলেছে। স্ব সহায়ক গোষ্ঠীর সদস্য দীপালি মাইতি জানান, বাড়ির কাজ শেষ করে বিভিন্ন ধরনের কাজ শিখে আমরা আজ স্ব নির্ভর হয়ে উঠেছি। রাজ্য সরকারের এই ধরনের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।

শুধু অর্থ উপার্জন হচ্ছে তা নয় সাথে তাদের তৈরি জিনিস রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সরকারি অনুষ্ঠানে স্থান পেয়েছে। এটা আমাদের কাছে বড় প্রাপ্তি। রাজ্য ও জেলা প্রতিনিধিদের সাথে উপস্থিত ছিলেন মহিষাদল ব্লকের বিডিও জয়ন্ত দে, লক্ষ্যা-২ গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান সীমা মাইতি, উপপ্রধান সুদর্শন মাইতি সহ অন্যান্যরা।।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ