বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ১২ থেকে ২০ বছরের মেয়েদেরকে যুবতী বলা হয়৷ নির্দিষ্ট এই বয়সে মেয়েরা শারীরিক ও মানসিক ভাবে পূর্ণতা লাভ করে৷ তবে এই সময় নারীদেহে বেশ কিছু যৌন সমস্যা দেখ যায়৷ এই সমস্যাগুলি হল: ঋতুস্রাব সমস্যা, সাদাস্রাব, তলপেট ও কোমরে ব্যথা৷ ঋতুস্রাবের সমস্যাকে আবার কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যেতে পারে, যেমন – একেবারে পিরিয়ড না হওয়া, অনিয়মিত পরিয়ড, অতিরিক্ত রক্তস্রাব৷

আমাদের দেশে শতকরা ৩০ থেকে ৪০ জন মহিলার নির্দিষ্ট সময়ে পিরিয়ড আরম্ভ হয় না৷ আবার অনেকের মাসিক নিয়ে বিভিন্ন ধরণের সমস্যাও দেখা দেয়৷ চিকিৎসকেরা মনে করেন এর প্রধান কারণ হল অসচেতনতা ও অজ্ঞতা৷ তবে মাসিকের স্থায়িত্বকাল ও পরিমাণ প্রকৃতপক্ষে জানা থাকেনা বলেই এই সমস্যায় চিন্তা অনেক বেশি হয়৷ যদিও শরীরিক কারণ ছাড়া অন্যান্য কারণেও প্রচুর পরিমাণে রক্তস্রাব ও দীর্ঘস্থায়ী স্রাব হতে পারে৷

দীর্ঘস্থায়ী স্রাবের একটি বড়ো কারণ হল জরায়ুর মুখে মাংস বেড়ে যাওয়া, যোনিপথে প্রদাহ, ডিম্বের থলিতে টিউমার৷ এছাড়াও যদি রক্তের মধ্যে কেন রোগ যেমন – হেমোফাইলিয়া, পারপুরা ইত্যাদি থাকে তবেও স্রাবের পরিমাণ বেশি হতে পারে৷

মহিলাদের অধিকাংশ সমস্যাতেই চিকিৎসার দরকার পড়ে না৷ বেশ কিছু সমস্যা উপযুক্ত চিকিৎসকের মাধ্যমে উপশম করা সম্ভব৷ তবে কারণ যাই হোক না কেন যুবতী মেয়েদের বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন৷

মহিলাদের বিভিন্ন যৌন সমস্যা :

শতকরা ৭০ থেকে ৮০ জন যুবতী মাসিক আরম্ভ হওয়ার আগে বা মাসিক চলাকালীন তলপেট, কোমর বা উরুতে ব্যথা অনুভব করেন৷এটা একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া৷ তবে যাদের পিরিয়ড আরম্ভ হওয়ার দু-তিন দিন আগে থেকে প্রচন্ড ব্যথা অনুভুত হয় তারা সাধারনত অ্যান্ডোমেট্রিওসিস, পেলভিক অ্যাডহিসন, জরায়ুর যক্ষাতে আক্রান্ত৷ এর জন্য অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন৷ হরমোনের তারতম্যের কারণে তলপেটে ভার অনুভব, শরীরের অস্বস্থি, অরুচি, মাথাব্যথা, গা ব্যথা এমনকি হাত পা ফুলে যাওয়া ইত্যাদি হতে পারে৷

সাদাস্রাব যুবতীদের একটি স্বাভাবিক ঘটনা৷ এর জন্য দুশ্চিন্তার কোন কারণ নেই৷ পুষ্টিহীনতা, যৌনাঙ্গে প্রদাহ, অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা ইত্যাদির কারণে মহিলাদের অতিরিক্ত সাদা স্রাব হতে পারে৷ এছাড়াও জরায়ুর মুখে মাংস পিন্ড বেড়ে গেলে বা ঘা হলে সাদা স্রাবের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে৷ এই জাতীয় সমস্যা যদি প্রতিনিয়ত দেখা দেয় তবে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন৷

বেশির ভাগ তরুণী তলপেট ও কোমরে ব্যথার কথা বলে থাকেন৷ প্রকৃতপক্ষে এটা একটা মানসিক অনুভুতি৷ তবে প্রচন্ড ব্যথা অনুভুত হলে অবশ্যই এর কারণ নির্ণয় করে চিকিৎসার ব্যবস্হা নিতে হবে৷ যেসব কারণে তলপেট ও কোমরে ব্যথা অনুভূত হয় তা হল –

১. অ্যাপেন্ডিসাইটিস

২. ওভারিয়ান সিস্ট

৩. হঠাৎ প্রস্রাব বন্ধ হয়ে রক্ত জমে যাওয়া

৪. মাসিকে রাস্তা বন্ধ হয়ে রক্ত জমে যাওয়া

৫. ডিম্বনালী অথবা ডিম্বথলির ভেতরে গর্ত হওয়া

৬. সিস্ট যদি হঠাৎ ফেটে যায় বা পেঁচিয়ে যায়

৭. জরায়ুর ভিতর টিউমার হওয়া

৮. যোনিপথে হারপিচ নামক এক প্রকার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়া

এক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে৷ না হলে জীবনের জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে এই ধরণের সমস্যাগুলি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।