কলকাতা: কথায় বলে মেয়েরা পারে না এমন কোনো কাজ নেই। কিন্তু নতুন সমীক্ষা বলছে ওয়ার্ক ফ্রম হোম চলাকালীন মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় ৪ গুণ কম কর্ম ক্ষমতার অধিকারী। ২০২০ সাল থেকে বিশ্ব জুড়ে মহামারীর ত্রাসের মধ্যে লক ডাউন সৃষ্টি হওয়ায় বেশিরভাগ ছোট- বড়ো সংস্থা ওয়ার্ক ফ্রম হোম নীতি নিতে বাধ্য হয়েছে। ফলে ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে বাড়ি থেকে করেছে কাজ এই কয়েকটা মাস। বস্তুত এখনো বেশ কিছু কোম্পানি খুব জরুরি না হলে বাড়ি থেকেই কাজ করাচ্ছে কর্মীদের।

তবে এই ওয়ার্ক ফ্রম হোমে কাজ করতে গেলে কাজ করার পন্থা নিয়ে ভাবতে হবে নতুন করে, বিশেষ করে সেই সমস্ত মহিলাদের ক্ষেত্রে যারা বাড়িও সামলান আবার অফিস। সমীক্ষা এও বলছে যে যেসব মহিলা পরিবারের সঙ্গে থাকেন তাদের ক্ষেত্রে পুরুষদের তুলনায় বাড়ির ও অফিসের কাজ মিলিয়ে কাজের চাপ বেড়েছে এই কয়েক মাসে প্রায় ৫ গুণ। এই ক্ষেত্রে আর একটি জিনিসও লক্ষ্য করা গিয়েছে যে ৪০% কোম্পানি এখনও প্রার্থমিক ওয়ার্ক ফ্রম হোম নীতি মেনে চলছে যেখানে এখনও সমজাতীয় চিন্তা-ভাবনা পোষণকারী পুরুষদের কর্তৃত্বকে আরো প্রশ্রয় দিচ্ছে।

আরো পড়ুন- রবিবারের রাশিফল, জানুন কার কার কাটবে সুখে

তাই সমীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী ওয়ার্ক ফ্রম হোমের কার্যকালে মেয়েদেরকে ছেলেদের তুলনায় ৪ গুণ কম কর্মদক্ষতা সম্পন্ন বলে মনে করা হচ্ছে। এই কম দক্ষতা সম্পন্ন মনে হওয়ার ভয়ে বেশিরভাগ মেয়েরাই মন খুলে তাদের ব্যক্তিগত মানসিক সমস্যা নিয়ে কথা বলতে পারছে না।

পৃথিবী এতো তাড়াতাড়ি রিমোট কাজের নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে যে সেখানে এমন সময় পাওয়া যায়নি যার মাধ্যমে এমন এক কর্ম পরিবেশের নীতি কল্পনা করা যায় যা অন্তর্ভুক্তিকরণে জোর দেয়। এখানে অন্তর্ভুক্তিকরণের ক্ষেত্রে মহিলাদের বিষয়কে বোঝানো হয়েছে। তবে দুটি বিষয় মানলে এই অন্তর্ভুক্তিকরণ ঘটানো সম্ভব।

১. মেয়েদের ক্ষেত্রে নিজেদের সুবিধা মতো কাজের শিফট বাছা, কোন সময়ে তারা ব্রেক নেবেন এবং পাশাপাশি কীভাবে বাড়ির কাজ ম্যানেজ করবেন সেই বিষয়ে স্বাধীনতা দেওয়া প্রয়োজন।

২. ৪৪% পুরুষ ও মহিলার দাবি যে মানসিক সুস্থতা নিয়ে আরো বেশি পরিমাণে জোর দেওয়া ও কাউন্সেলিং দরকার যেখানে ভার্চুয়াল কাজের জগৎটাতেই সবাই আস্তে আস্তে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.