নয়াদিল্লি : ফের আদালতের রোষের মুখে লাভ জিহাদ কনসেপ্ট। বুধবার লাভ জিহাদ প্রসঙ্গকে কার্যত তোপের মুখে উড়িয়ে দিল দিল্লি হাইকোর্ট। আদালত জানিয় দিয়েছে একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী নিজের পছন্দমত সঙ্গীর সঙ্গে যেখানে খুশি যেতে পারেন। সেই অধিকার একজন মহিলার রয়েছে।

এই ক্ষেত্রে ধর্ম কখনও বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। দিল্লি হাইকোর্টের দুই বিচারপতি বিপিন সাংঘি ও রজনীশ ভাটনগরের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, একজন মহিলার ব্যক্তি স্বাধীনতায় কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারে না। গো বলয়ে যখন লাভ জিহাদের বিরুদ্ধে ঝড় উঠছে, তখন দিল্লি হাইকোর্টের এই রায় বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

সুলেখা নামে এক মহিলা নিজের পরিবারের অমতে বিয়ে করেন। এরপরেই পরিবারের বিরুদ্ধে নিজের নিরাপত্ত চেয়ে একটি পিটিশন ফাইল করেন দিল্লি হাইকোর্টে। কারণ পরিবার তাঁকে নিরুদ্দেশ বলে দাবি করে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিল। হাইকোর্ট গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখে জানিয়েছে সুলেখা পরিবারের দাবি অনুযায়ী নাবালিকা হলেও, তথ্য প্রমাণ তা বলছে না।

তাই নিজের স্বামী বাবলুর সঙ্গে থাকতে পারে সুলেখা। দিন কয়েক আগেই এলাহাবাদ হাইকোর্ট একই রায় দেয়। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে পছন্দমত জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার অধিকার সব প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের রয়েছে। এজন্য ধর্ম কোনও ফ্যাক্টর বা বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।

ব্যক্তিগত অধিকারের আওতায় এই রায় দিয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট। হাইকোর্ট এর আগে জানিয়েছিল শুধুমাত্র বিবাহ সম্পন্ন করার জন্য ধর্ম পরিবর্তন করা কাম্য নয়। এই ধরণের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না।

বিচারপতি পঙ্কজ নকভি ও বিবেক আগরওয়ালের ডিভিশন বেঞ্চ এদিন জানিয়েছে, বিবাহের ক্ষেত্রে বা জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে কখনই ধর্ম বাধা হবে না, তেমনই ধর্ম পরিবর্তন করে বিয়ে করাটাও আইনসঙ্গত নয়।

এদিন ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, যেখানে আইন দুই সমলিঙ্গের মানুষকে একসাথে থাকার, জীবন কাটানোর অনুমতি দিচ্ছে, সেই দেশে শুধুমাত্র ধর্মের বিভেদের জন্য বিয়ে আটকে দেওয়া হবে, তা মেনে নেওয়া যায় না। কোনও যৌক্তিকতা নেই এই ধরণের আচরণের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।