মনিপুর: সাধারণত বাজার বললেই আমাদের মাথায় আসে বাড়িরই ছেলেরাই দরদাম করে বাজার করে আনবে। তারপর হবে রান্না। বাড়ির মেয়েদের খুব বেশি রোদের মধ্যে কাজের জন্যে বিশেষ করে বাজারের কাজে বেরোতে দেওয়া হয় না। কিন্তু এই ধারণাই বদলে যাবে যদি আপনি এই জায়গায় যান। যদিও আজকাল নানা কাজে অনেকেই আটকে থাকে বলে কোনো কোনো মেয়েকেই বাজার করতে হয়। আবার অনেক মেয়ে সংসার চালাতে বাজার নিয়েও বসে সকাল হলেই। তবে সেই সংখ্যাটা অনেক কম। এই জায়গায় গেলে এমন কোনো পুরুষ দেখতে পাবেন না যে বাজারে বসেছে দোকান নিয়ে। কিন্তু বাজার করছে তারাই। আর সেই বাজারে মূল বিক্রেতার ভূমিকায় রয়েছে মেয়েরাই। বাজারে চলে তাদেরই একচ্ছত্র আধিপত্য। পৃথিবীর মধ্যে মাত্র এই জায়গাতেই আপনি এই দৃশ্য দেখতে পাবেন। সেটি অবস্থিত উত্তর-পূর্বে।

মনিপুরের রাজধানী ইম্ফলে এমনটাই স্বাভাবিক। তবে বাজারটি কিন্তু নতুনভাবে গজিয়ে ওঠেনি। এখানে মেয়েদের আধিক্য থাকায় এর বিশেষ নাম হল “মাদার্স মার্কেট”। ৫০০ বছরের পুরোনো এই বাজারে ৪ হাজার দোকান রয়েছে মেয়েদের। রাজা থাকাকালীন সময় থেকেই মেয়েরা বসতে শুরু করে বাজারে। গোটা বাজার পরিচালনা করে তারাই। রাজার শাসন শেষ হলেও এই রীতি বন্ধ করতে দেয়নি মেয়েরা।

আরো পোস্ট- মৃতদেহ চুরি করে চলতো বিশেষ ব্যবসা!

আসলে এর পেছনেও রয়েছে একটি গল্প। রাজা মাঝে মাঝেই এলাকার সব পুরুষদের ডাকতেন। সেই সময় বাড়ির কাজ সামলাতে হতো মহিলাদের। বাজার করা থেকে রান্না ও সংসার সামলানো সব এক হাতে করতো তারাই। আবার কারুর ব্যবসা থাকলে দেখতে হতো মেয়েদেরকেই। সেই থেকেই এই অভ্যেস তারা গড়ে তোলে নিজেদের মধ্যে। আর একটি বিশেষ জিনিস আপনি লক্ষ্য করবেন যে যেসব মহিলারা দোকান চালাচ্ছেন তারা সকলেই বিবাহিত। বিয়ে না হওয়া কোনো মেয়ে ব্যবসা বা দোকান দেখে না।

একমাত্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই বাজারকে বন্ধ রাখা হয়েছিল। এছাড়া অনেকবার বাজার উঠিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও কেউ সফল হয়নি। ২০০৬ সালে মনিপুরের সরকার এই বাজার সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু মহিলা জোটের বিরোধিতায় তা শেষ পর্যন্ত কার্যকর হয়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।