কলকাতা২৪x৭: বিগত কয়েক দশক ধরে, ইতিহাস সিনেমা থেকে আমরা সময় এবং পরিস্থিতির অসাধারণ কিছু প্রতিফলন পেয়েছি তা বলার অপেক্ষা রাখে না ভারতীয় সিনেমা এমন কিছু নারী চরিত্র তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে যারা শুধুমাত্র
অবলা নারী না হয়ে, আলংকারিক না হয়ে
বা সুন্দরী নায়িকা অবতারের বাইরে গিয়েও নিজেদের চরিত্র কে উত্থাপন করেছে নতুন ভাবে।যাঁরা ন্যায় ও অধিকারের পক্ষে দাঁড়িয়েছে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে স্বর উত্থাপন করেছে, তার মর্যাদা ও আত্ম-সম্মানের জন্য লড়াই করেছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেখে নেওয়া যাক এমনই কিছু চলচ্চিত্র যা নারী এবং নারীশক্তিকে যোগ্য মর্যাদা দিয়েছে

মাদার ইন্ডিয়া (1957)
মাদার ইন্ডিয়া একটি ভারতীয় ক্লাসিক চলচ্চিত্র যেখানে,নার্গিস দত্তের অন্যতম চিত্তাকর্ষক এবং আইকনিক অভিনয় ফুটে উঠেছে। রাধা চরিত্রে নার্গিস একজন দরিদ্র গ্রামবাসী, যিনি তার দুই ছেলেকে লালন-পালনের জন্য সকল প্রতিকূলতার সাথে লড়াই করেন। ন্যায়বিচারের প্রতিভার জন্য গ্রামবাসীরা তাঁকে দেবীরুপে দেখেন। নীতির প্রতি অবিচল থাকায়, তিনি ন্যায়বিচারের জন্য তার পুত্রকে
অনৈতিক পথে যাওয়ার জন্য হত্যা করেন।

অস্তিত্ব (২০০০)
মহেশ মাঞ্জেরেকার পরিচালিত অস্তিত্বে ভারতীয় সমাজের পুরুষ এর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক এবং বিবাহিত যৌন নির্যাতনের মতো অব্যক্ত দিকটি উন্মোচিত হয়েছে। এই ছবিতে অদিতি শ্রীকান্ত এমন এক মহিলার কথা বলা হয়েছে,যিনি তার বিয়ের বাইরে নিজের পরিচয় খোঁজার চেষ্টা করেছিলেন এবং অবশেষে তিনি তার স্বামী এবং পুত্রের কাছ থেকে সরে যান।

ইংলিশ ভিংলিশ (২০১২)
ইংলিশ ভিংলিশ শ্রীদেবী অভিনীত একটি সাধারণ গৃহিণী শশী গডবোলের গল্প। যেখানে সুন্দরভাবে দেখানো হয় যে গৃহিনী, একজন গৃহকর্মী, একজন স্ত্রী এবং একজন মা হিসাবে একজন কতটা উজ্জ্বল।কীভাবে তিনি সাবলীল ইংরেজী বলতে না পারার কারণে তার কন্যা এবং স্বামী তাকে উপহাস করেছেন। শশী গডবোল আঘাতপ্রাপ্ত বিষয়টিকে ঘুরিয়ে দেয় যখন তিনি তার ভাগ্নির বিবাহের জন্য মার্কিন ভ্রমণের দরুন ইংরাজি ভাষা শিখছিলেন।

শুধু এই তিনটে নয় যুগ যুগ ধরে বলিউড-টলিউড দুই ক্ষেত্রেই এমন কিছু মহিলা চরিত্রকে আমরা পর্দায় দেখেছি যা সমাজকে দেখিয়েছে চোখে আঙ্গুল দিয়ে যে নারীরা শুধুমাত্রই নায়িকা নয় বরং একটা শক্তিশালী বাস্তব জীবনের চরিত্র হয়ে উঠতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।