বর্ধমান: ২ বছরের শিশুকন্যাকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগে এক মহিলাকে গ্রেফতার করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ। ধৃত মহিলার নাম রেণু তাঁতি। বর্ধমান থানার সদরঘাটের বংপুর চাষিমানা এলাকায় তাঁর বাড়ি। বুধবার সকালে বাড়ি থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

রেণুর বাড়ি থেকে একটি কেরোসিন ভরতি প্লাস্টিকের জার বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। এদিনই ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে শনিবার ধৃতকে ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দেন ভারপ্রাপ্ত সিজেএম সোমনাথ দাস।

পুলিশ জানিয়েছে, বংপুর চাষিমানা এলাকাতেই ওই শিশুকন্যার বাড়ি। তার বাবা-মা চাষের কাজ করেন। অন্যান্য দিনের মতো সোমবার সকালেও শিশুটির বাবা-মা চাষের কাজে বের হন। শিশুটি তার ৫ বছরের দিদির সঙ্গে ঘরে ছিল। সেই সময় রেণু সহ কয়েকজন বাড়িতে এসে শিশু দু’টিকে ঘর থেকে নিয়ে যায়। রেণুর ঘরে নিয়ে গিয়ে ২ বছরের শিশুকন্যার গায়ে কেরোসিন তেল ঢালা হয়। তার দিদি কোনও রকমে নিজেকে মুক্ত করে দৌড়ে বাবা-মায়ের কাছে চলে যায়।

বাবা-মাকে সে ঘটনার কথা জানায়। বাবা-মা দৌড়ে রেণুর বাডিতে পৌঁছান। তাঁদের দেখতে পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। ঘটনার বিষয়ে শিশুটির মা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মেরে ফেলার চেষ্টা ও জুভেনাইল জাস্টিস অ্যাক্টে মামলা রুজু করেছে পুলিশ।

যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ধৃতদের আইনজীবী পুলক মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আদৌ এ ধরণের কোনও ঘটনা ঘটেনি। সামান্য বিবাদকে কেন্দ্র করে মিথ্যা মামলা সাজানো হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।