নয়াদিল্লি: রাস্তার আনাচে-কানাচে পুরুষদের জন্য শৌচাগার থাকলেও, মহিলাদের জন্য পাবলিক টয়লেটের সংখ্যা হাতে গোনা। স্বাভাবিকভাবেই বেগ চাপা ছাড়া উপায় থাকে না মহিলাদের। এ বার সেই কষ্ট থেকে মুক্তি। সোমবার থেকে যেকোনও হোটেল ও রেস্তোরাঁর শৌচাগার ব্যবহার করতে পারবেন মহিলা ও শিশুরা। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। এমন নিয়ম অবশ্য চালু হতে চলেছে শুধু দক্ষিণ দিল্লিতে।

পয়লা এপ্রিল থেকেই এই ব্যবস্থা চালু হওয়ার কথা ছিল। তবে পুর নির্বাচনের জন্য এই প্রক্রিয়া কিছুটা পিছিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে হোটেল মালিক ও রেস্টুরেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া(RAI)। মহিলাদের কথা মাথায় রেখেই, তাঁরা শুধুমাত্র মহিলা ও শিশুদের এই পরিষেবা দিতে রাজি হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। প্রথমে সবার জন্যই এই পরিষেবা চালু করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

RAI-এর সভাপতি রিয়াজ আমলানি বলেন, “বাজার এলাকায় যথাযথ সংখ্যক পাবলিক টয়লেটের ঘাটতির কারণে মহিলাদের টয়লেট পেইন সহ্য করতে হয়। সেজন্যই আমরা সমস্ত মহিলা ও শিশুদের আমাদের শৌচাগার বিনামূল্যে ব্যবহার করতে দেব।” দক্ষিণ দিল্লিতে প্রায় ৩৫,০০০ হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। এই একই উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে উত্তর ও পূর্ব দিল্লি পুরসভা এলাকাতেও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I