ফাইল ছবি

কলকাতা : রাতের কলকাতায় ফের নৃশংস ঘটনা। ঠান্ডা মাথায় বাবাকে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারল খোদ মেয়ে। সোমবার রাতে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে হুগলী নদীর তীরে উত্তর বন্দর থানার চাঁদপাল জেটি ঘাট এলাকায়। নৃশংস এই ঘটনায় নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ঘাতক মেয়েকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ওই ব্যক্তির নাম বিশ্বনাথ আঢ্য(৫৬)। সোমবার পুলিশ ওই ব্যক্তিকে চাঁদপাল জেটির পাশে একটি পার্ক থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন।

জানা গিয়েছে, মৃত ওই ব্যক্তি পার্ক সার্কাসের ক্রিস্টেফার রোডের বাসিন্দা। টাকাপয়সা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ঝামেলায় তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান। সোমবার তাঁর মেয়ে পিয়ালী আঢ্য(২২) বাবাকে ডিনারে নিয়ে যাওয়ার অছিলায় প্রথমে তাঁকে একটি রেস্টুরেন্টে খেতে নিয়ে যায়৷ সেখানে খাওয়া দাওয়ার পর ওই তরুণীর বাবা মদ্যপান করেন৷

জানা গিয়েছে, এরপর তিনি মদের নেশায় বুঁদ হয়ে গেলে তাঁকে একটি ট্যাক্সিতে করে চাঁদপাল ঘাটে নিয়ে যায় পিয়ালী। সেখানে এনে একটি বেঞ্চে শুইয়ে দেয় অভিযুক্ত মেয়ে এবং সঙ্গে থাকা কেরোসিন তেল বাবার গায়ে ঢেলে তাঁকে জ্যান্ত জ্বালিয়ে দেয়। যদিও ঠান্ডা মাথায় সিনেমার কায়দায় এমন কাজ করার পরও শেষরক্ষা হয়নি। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে পুলিশ ঘাতক মেয়েকে খুঁজে বের করেন।

আরও জানা গিয়েছে, ঘটনায় মৃত ব্যক্তির ভাইয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে খুনী মেয়েকে গ্রেফতার করেছে উত্তর বন্দর থানার পুলিশ। তাকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত জেল হেপাজতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে জেরায় অভিযুক্ত পিয়ালী পুলিশের কাছে জানিয়েছে যে, তার মা নেই। বাবা সবসময় মদ পান করে তার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাত। বেশ কিছুদিন আগে বিয়ে করে পিয়ালী। কিন্তু শ্বশুরবাড়ি থেকে চলে আসার পর বাবার অত্যাচারের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। বাবার এই নির্যাতনের হাত থেকে মুক্তি পেতেই নাকি এমন চরম সিদ্ধান্ত নেয় অভিযুক্ত পিয়ালী।

যদিও সিসিটিভির ফুটেজ দেখে এবং ধৃত মেয়েকে জেরা করে গোটা বিষয়টি নিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.