টেক্সাস: ফেসবুকের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনলেন এক তরুণী। মাত্র ১৫ বছর বয়সেই ধর্ষণের শিকার হন তিনি। শুধু তাই নয়, যৌন ব্যবসাতেও জড়িয়ে পড়েন। আর এর জন্য তিনি দায়ী করেছেন ফেসবুককে। মামলাও করেছেন সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্টের বিরুদ্ধে।

জেন ডো নামে ওই তরুণী অভিযোগ করেন। সোমবার হাউসটনের ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে মামলাটি করেছেন তিনি। ফেসবুকে এর ফ্রেন্ডের পাল্লায় পড়েই তাঁর সঙ্গে এই ঘটনা ঘটে। তরুণীর অভিযোগ, ফেসবুক কর্তাদের বোঝা উচিৎ যে এই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে নাবালিকাদের সঙ্গে এই ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। তবে ফেসবুকের তরফে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

২০১২ তে এক ব্যক্তির সঙ্গে ফেসবুকে বন্ধুত্ব হয় ওই তরুণির। সেই ব্যক্তির সঙ্গে একাধিক মিউচুয়াল ফ্রেন্ডও ছিল। সেকান থেকেই সূত্রপাত। জেন ডো-র কোনও ধারন ছিল না যে সেক্স ট্র্যাফিকাররাও থাকতে পারে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

এরপর দিনের পর দিন তাঁকে দিনের পর দিন যৌন নির্যাতন, ধর্ষণের শিকার হতে হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।