লখনউ: এ যেন ঠিক সিনেমার চিএনাট্যকেও হার মানিয়ে যাওয়া গল্প৷ ১২ বছর আগে খুন হয়ে যাওয়া মহিলা বেঁচে আছেন স্বশরীরে এমনকি রীতিমতো সংসারও করছেন তিনি।

এদিকে ওই মহিলাকে খুনের দায়ে অভিযুক্তেরা একযুগেরও বেশি সময় ধরে জেল খাটছেন। বিষ্ময়কর এই ঘটনাটি ঘটেছে যোগী রাজ্য উওরপ্রদেশের জালাউন জেলায়।

আরও পড়ুন: মিসাইল সিস্টেম থেকে ওয়ারফেয়ার স্যুট! নতুন ‘এয়ার ইন্ডিয়া ওয়ান’ এল ভারতে

জানা গিয়েছে, ২০০৮ সালে ওই মহিলার যখন ১৪ বছর বয়স ছিলো অর্থাৎ নাবালিকা ছিলেন, সেই সময় হঠাৎ করে একদিন বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। এরপর স্থানীয় কোতোয়ালি থানায় তার নামে নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।

যদিও কিশোরীর মা সেই সময় অভিযোগ করেছিলেন যে, পুলিশ ঠিকমতো তদন্ত করে বিষয়টি দেখছে না। আর এই ঘটনার দিন কয়েক পর কানপুরের ঘাটমপুর এলাকা থেকে এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরীর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর সেটিই তাঁর মেয়ের মৃতদেহ বলে শনাক্ত করেন ওই কিশোরীর মা।

আরও পড়ুন: হাঙরের মুখের ভিতর থরে থরে সাজানো মাছ, ভাইরাল সেই ছবি

এরপর গ্রামেরই ছয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে তাঁর মেয়েকে অপহরণ করে খুন করার অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। এমনকি স্থানীয় পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে এই মামলা স্থানীয় পুলিশের থেকে সিবিসিআইডি-র কাছে স্থানান্তরিত হয়। অভিযুক্ত ছয় ব্যক্তিকে জেলে পাঠানো হয়। ট্রায়াল চলাকালীন মৃত্যু হয় একজনের। বাকিদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হয় পরে। আর এই ঘটনার এত বছর পর হঠাত্‍ই এই মামলা উল্লেখযোগ্য মোড় নেয়।

উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ে খোঁজ পাওয়া যায় মেয়েটির। ১২ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া ১৪-বছরের কিশোরীর এখন ২৬ বছর বয়স। আলিগড়েই বিয়ে করে সংসার করছেন তিনি। এক স্থানীয় রাজনীতিবিদের অভিযোগের ভিত্তিতে মেয়েটিকে খুঁজে বের করে জালাউনের পুলিশ। এদিকে ওই মহিলাকে কালপি নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এতদিন তিনি কোথায় ছিলেন এবং কেন বাড়ি ফিরে আসেননি, সেই বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতে খুব শিগগিই হাজিরা দিতে হবে তাঁকে। সেখানে তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হবে। অভিযুক্ত ছয় জনের ওপর থেকে খুনের অভিযোগ তুলে নেওয়া হবে এবং এই মামলার প্রেক্ষিতে তাঁদের ক্লিনচিট দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেম জালাউনের পুলিশ সুপার যশভীর সিং।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।