ক্যানবেরা : বাথরুমে গিয়ে যদি দেখেন কোমডে বসে আছে আস্ত একটা অজগর ! তাহলে আপনার অবস্থাটা ঠিক কেমন হবে ? ঠিক এমনই অবস্থা হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার কেয়ার্নসের বাসিন্দা নিকোল এরের। রাতে অফিস থেকে বাড়ি ফিরে বাথরুমে যেতেই তাঁর আত্মারাম খাঁচাছাড়া হওয়ার জোগাড়।

নিকোল জানিয়েছেন, টয়লেটে গিয়ে তিনি দেখতে পান কোমডের লিটটা খোলা। আর কোমডের মধ্যে থেকে একটুখানি মাথা বের করে আছে একটা অজগর। ভয়ে তৎক্ষণাৎ বাথরুম থেকে বেরিয়ে আসেন নিকোলে। একটু ধাতস্থ হয়ে তিনি ফোন করেন, কেয়ার্নস স্নেক রিমুভালসে। সেদিনের মতো সাপটিকে ধরে নিয়ে যায় তাঁরা।

তবে ঘটনার শেষ কিন্তু এখানে না। প্রথম দিনের সাপের আতঙ্কে কাটতে না কাটতেই ফের বিপাকে পড়েন নিকোল এরের। আবার ঘটে অঘটন। পরের দিন রাতে বাথরুমে যেতেই নিকোল দেখেন বাথরুমে ঘুরছে আরও একটি অজগর। প্রথমে অবাক হয়ে গেলেও একটু পরেই সম্বিত ফেরে তাঁর।

আগের দিনের অভিজ্ঞতা থেকে ভয় না পেয়ে ফোন করেন আবার সর্পালয়ে। ফের একবার সর্প বিশারদরা এসে ধরে নিয়ে যায় সাপটিকে। ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্কে ভুগছেন নিকোল এরেরা। পর পর দুই দিন সাপ ধরা পড়ায় তিনি রীতিমতো ভয়ে সিঁটিয়ে আছেন। একই সঙ্গে অবাক হয়েছেন তাঁর প্রতিবেশীরাও।

এমনিতে অস্ট্রেলিয়ায় সাপের উপদ্রব রয়েছে, একথা কমবেশি সকলেই জানেন। এমনকি সেগুলি যে বাড়ির মধ্যেও কখনও কখনও ঢুকে পড়ে তাও মেনে নিচ্ছেন অনেকেই। কিন্তু তাইবলে পর পর দুদিন যে একই বাড়ির বাথরুমে অজগর সাপ ঢুকে পড়বে একথাই ভেবে অবাক হচ্ছেন সকলে। আর সেইসঙ্গে সাপের ভয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন বাড়ির মালিক নিকোল এরের।

ঘটনাগুলো ফেসবুকে সাপের ছবি সমেত শেয়ার করেন নিকোল। এরপরেই ভাইরাল হয় তাঁর সেই পোস্ট। অনেকেই কমেন্টে নিকোলকে নানান পরামর্শ দেন, একজন বলেন কোমড ব্যবহারের আগে অবশ্যই লাইট জ্বালিয়ে নেওয়ার। অন্য একজনের আবার বক্তব্য, “আমি একবার আমার কোমডের মধ্যে ব্যাং দেখেছিলাম। কিন্তু সাপ দেখলে খুব সম্ভবত আমি মারাই যাব।”