নিউইয়র্ক: সুকুমার রায়ের হ য ব র ল বইয়ের পাতাতে পড়তে বেশ মজা লাগে সকলের। বাস্তবের সঙ্গে মিল না থাকার কারণেই আরও বেশি করেই পছন্দ করেন মানুষজন এই মজার বইটি পড়তে। কিন্তু বাস্তব জীবনে যে এই ধরনের ঘটনা ঘটবে তা ভাবতে পারেননি নিউ ইয়র্কের বাসিন্দা সামান্থা হারতস। আয়নার পেছন থেকে তিনি খুজে বের করলেন আস্ত এক অ্যাপার্টমেন্ট।

আধুনিক যুগে দাঁড়িয়ে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম হল সোশ্যাল মিডিয়া। গ্রাহকদের আকর্ষণের জন্য ইতিমধ্যে একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া বাজারে রয়েছে। ওই মহিলা নিজের এই আবিস্কার সম্পূর্ণ রেকর্ড করেছেন টিকটকে। আর তা ভাইরাল হয়ে গিয়েছে দ্রুত। বিগত কয়েক বছরে সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে আমাদের সামনে এসেছে একের পর এক অদ্ভুত জিনিস। তবে আয়নার পেছন থেকে আস্ত অ্যাপার্টমেন্ট আবিস্কার করার মতো ব্যাপার কখনই আগে দেখা যায়নি।

আরও খবর পড়ুন – ব্যক্তিগত জীবনের ঝড়ঝাপ্টার মধ্যেই দুই সন্তানকে নিয়ে মহাবালেশ্বর শ্বেতা

জানা গিয়েছে ওই মহিলা একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাতে কর্মরত। তিনি নিজের টিকটক ভিডিও বানানোর সময়ে ভেবেছিলেন নিজের বাথ্রুমের আয়নাটির পিছনে কি আছে তাই দেখাবেন। ওই জায়গাতে কোন জানলা বা অন্য কিছু না থাকায় আরও বেশি করে বিষয়টি তাঁকে আকর্ষণ করেছিল। এই মত তিনি ভিডিও করা শুরু করেছিলেন। ভিডিও টি সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভাইরাল হয়ে যায়। এখনো পর্যন্ত ওই ভিডিওটি দেখেছেন ৭ মিলিয়ন মানুষজন।

ওই মহিলা এও জানিয়েছেন যে আয়নার পেছনে যে কার্যত একটি আস্ত এপার্টমেন্ট খুজে পাবেন তা ভাবতে পারেন নি। নিছক কৌতূহলের বসেই তিনি দেখতে গিয়েছিলেন আর তারপরে কার্যত একটি এপার্টমেন্ট আবিস্কার করে ফেললেন। ভিডিওটি দেখে অবাক হয়েছেন নেটিজেনরাও। কি ভাবে এই ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে তা জানতে চেয়েছেন অনেকেই। তবে মিস সামান্থা যে বিষয়টি থেকে যথেষ্ট মজা পেয়েছেন তা কার্যত পরিস্কার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.