ইসলামাবাদ: ভোটে কারচুপির অভিযোগে নয়৷ মহিলারা ভোট দিতে না পারায় নির্বাচনই বাতিল করল পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন৷
৭ মে পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমে খাইবার-পাখতুনওয়া অঞ্চলে নির্বাচন হয়৷ দীর্ঘদিন ধরেই ধর্মীয় গোঁড়ামি আচ্ছন্ন করে রেখেছে এই তল্লাটকে৷ এই নির্বাচনে নিম্ন দার এলাকায় কট্টরপন্থী জামাত-ই-ইসলামি পার্টির প্রার্থী জয়ী হন৷ কিন্তু দেখা যায়, কট্টরবাদীদের ফতোয়ায় ওখানকার মহিলারা নির্বাচনে অংশই নিতে পারেননি এবং ভোটও দিতে পারেননি৷ এরপর, বিভিন্ন মহিলা সংগঠন, সংবাদমাধ্যমের অভিযোগ পেয়ে নির্বাচনী ফলকে বাতিল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন৷ আপাতত উপ-নির্বাচনের নির্দেশ দেওয়া হলেও ভোটের দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি৷
নির্বাচন কমিশনের এই সাহসী সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন সমাজকর্মীরা৷ এর আগেও, মহিলাদের ভোট দিতে না দেওয়ায় ২০১৩ সালে উত্তর-পশ্চিম প্রদেশের দুই কেন্দ্রে উপ-নির্বাচন বাতিল করার পাশাপাশি দু’জনকে গ্রেফতারও করা হয়৷ উল্লেখ্য, পাকিস্তানের বিভিন্ন পিছিয়ে-পড়া এলাকায়, বিশেষ করে খাইবার পাখতুনওয়া এবং দক্ষিণ-পশ্চিম বালুচিস্তান প্রদেশে বরাবরই মহিলা ভোটারদের ভোটদানের হার খুব কম৷ কিন্তু, পাকিস্তান নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তে ছবি এর পর ধীরে হলেও বদলাতে পারে বলে আশা করছেন সমাজকর্মীরা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।