বালুরঘাট: করোনা প্রাণ কেড়ে নিলো মহিলা পুলিশ আধিকারিকের। মৃত পুলিশ আধিকারিকের নাম পপি চৌধুরী। পঞ্চান্ন বছর বয়স্কা তিনি গঙ্গারামপুর থানার এএসআই পদে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে আগে থেকে তাঁর সুগারের পাশাপাশি শ্বাস কষ্টের অসুখও ছিল। গত ১৬ জুলাই তাঁর লালারসের নমুনা পরীক্ষায় কোভিড-নাইনটিন ধরা পরে। সেই সময় তাঁকে গঙ্গারামপুর স্টেডিয়ামের আইসোলেশনে ভর্তি করানো হয়। সেখানে অসুস্থতা বোধ করলে ১৯ জুলাই বালুরঘাটের নাট্যউৎকর্ষ কেন্দ্রের আইসোলেশন স্থানান্তরিত করা হয়

সেখানে অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে ২৫ জুলাই বালুরঘাট থেকে শিলিগুড়ির ডাঃ চ্যাং সুপারস্পেশালিটি কোবিদ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। চিকিৎসকদের দীর্ঘ প্রচেষ্টা সত্বেও শনিবার রাত দশটা নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়। এদিকে জেলা প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে মৃত পপি চৌধুরীর ছেলেও করোনায় আক্রান্ত। তারও চিকিৎসা চলছে।

এএসআই পপি চৌধুরীর মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া নেমে আসে পুলিশ ও প্রশাসনিক মহলে। দক্ষিণ দিনাজপুরের পুলিশ সুপার দেবর্ষি দত্ত জানিয়েছেন পপি চৌধুরীর মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন বেশ কিছুদিন আগে তাঁর করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে। এর পরেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতরাতে তিনি মারা যাওয়ার খবরে পুলিশ ও প্রশাসনের সকলে শোকাহত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.