লখনউ: একের পর এক ধর্ষণকাণ্ড নিয়ে প্রশ্নের মুখে যোগী সরকার৷ প্রশ্নের মুখে উত্তরপ্রদেশের মহিলাদের নিরাপত্তার বিষয়টিও৷ সূত্রের খূর অনুযায়ী, নয়ডা থানা সেক্টর-২০ এলাকার বাসিন্দা এক মহিলাকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে৷ নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইপিসি ৩৭৬ধারায় মামলা দায়ের করে৷ শুরু হয়েছে তদন্তও৷

আরও পড়ুন: নিজের মেয়েকে দিয়ে দেহব্যবসা করানোর অভিযোগ জনপ্রিয় অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে

সহকারী পুলিশ সুপার অভিনন্দন জানিয়েছেন, নির্যাতিতা জানিয়েছেন তাঁর স্বামী বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ৷ প্রতিবেশী রামবিলাস তাঁর স্বামীর চিকিৎসা করার অজুহাতে তার ঘরে যাতায়াত শুরু করে৷ কিছুদিন আগেই একরাতে ওই মহিলা এবং তার সন্তানদের ঠাণ্ডা পানীয়ে মাদক মিশিয়ে পান করতে দেয় এই রামবিলাস৷ নির্যাতিতার মতে, এই কোল্ড ড্রিঙ্কস পান করার পরই বেহুঁশ হয়ে পড়েন তিনি৷ এবং সেই সুযোগে তাকে ধর্ষণ করে রামবিলাস৷ শুধু তাই নয়, তার দুই সঙ্গীও আসে এবং তারাও গণধর্ষণ করে তাকে৷ পাশাপাশি মহিলার অশ্লীল ভিডিও তুলে রাখে৷ সকালে ওই মহিলার জ্ঞান ফিরলে, তাকে এবং তার সন্তানদের, মেরে ফেলার হুমকি দেয় রামবিলাস এবং তার সঙ্গীরা৷

আরও পড়ুন: ধর্ষণে বাধা পেয়ে গৃহবধূকে কুপিয়ে খুনের চেষ্টা

উল্লেখ্য, লখনউ-এর মোহনলালগঞ্জ এলাকায় গাড়িতে যাচ্ছিল কয়েকজন যুবক৷ তারাই এক কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ করে৷ এরপরেই তাকে গণধর্ষণ করে তারা৷ তাদের মধ্যে একজন এই ছাত্রীকে আগে থেকেই চিনত বলে জানা গিয়েছে৷ সেইই এই ছাত্রীকে ফোন করে ডেকে আনে৷ ছাত্রীটি ওই যুবকের কথা মতো নির্দিষ্ট স্থানে এলে, উপস্থিত অন্যান্য যুবকেরা তার মুখে কাপড় বেঁধে তুলে নিয়ে যায়৷

আরও পড়ুন: স্বামীর সঙ্গে যৌন সুখে অতৃপ্ত স্ত্রী! এরপরের ঘটনাটি জানলে ঘুম উবে যাবে

নির্যাতিতার অভিযোগ, যখন তার জ্ঞান ফেরে তখন সে একটি বন্ধ ঘরের মধ্যে পড়ে ছিল৷ অভিযুক্তেরা একে একে তার ওপর শারীরিক অত্যাচার করে৷ সে এর বিরোধিতা করলে দু’জন তাকে মারধোরও করে বলে অভিযোগ৷ এরপর সেই যুবকেরাই তাকে কিছু টাকা দিয়ে বাসে চাপিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়৷ বাড়ি ফিরে এসে সমগ্র ঘটনার কথা পরিবারকে জানায় নির্যাতিতা৷

আরও পড়ুন: রাজপথেই চলছে মধুচক্রের আসর! প্রতিবেদনটি পড়লে আঁতকে উঠবেন

পরিজনেরা তাকে নিয়ে থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করে৷ সেই অবিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে৷ মেডিক্যাল টেস্টও করা হয় ছাত্রীটির৷ পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ, তারা মেয়ের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার রিপোর্ট দেয় থানায়, কিন্তু পুলিশ সেসময় পদক্ষেপ নিলে হয়তো এই ঘটনাটি ঘটত না৷