বেঙ্গালুরু: করোনা মোকাবিলায় হাত বাড়িয়েছে ভারত। বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে ইতিমধ্যেই পিপিই কিট থেকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী দিয়ে সাহায্য করেছে ভারত। এবার লক্ষ লক্ষ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের ডোজ পাঠিয়ে ব্রিটেনের পাশে দাঁড়াচ্ছে ভারতীয় ওষুধ কোম্পানি Wockhardt Ltd।

শুধু তাই নয়, AstraZeneca যা অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে তৈরি হচ্ছে তা সহ একাধিক কোভিড ভ্যাকসিনের ডোজ ব্রিটেনকে পাঠাবে ভারত।

জানা গিয়েছে, ব্রিটেন সরকারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, কোভিড ভ্যাকসিনের ডোজ ব্রিটেনকে পাঠানোর জন্য ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের শেষ ধাপের কাজ চলছে। ফিল-অ্যান্ড-ফিনিশ ক্যাপাসিটি যার মাধ্যমে ভায়ালস, সিরিঞ্জ বা অন্যভাবে প্যাকেজিং করার পরেই তা সম্পূর্ণভাবে তৈরি বলে জানা গিয়েছে।

ব্রিটেন সরকারের তরফেও ফিল-অ্যান্ড-ফিনিশ প্রোডাকশন লাইন তৈরি করা হয়েছে। হোয়েলসের রেক্সহ্যামে Wockhardt কোম্পানির একটি জায়গায় আগামী ১৮ মাস টানা ওষুধ সরবরাহের কথা মাথায় রেখে ইতিমধ্যেই কথা হয়েছে।

১৫০ টি-র বেশি ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চলছে। করোনা রুখতে একাধিক ভ্যাকসিনের টেস্ট চলছে গোটা বিশ্বজুড়ে। এঁদের মধ্যে ২৫টি মানুষের শরীরে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল হয়েছে, এমনটাই তথ্য দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

বিশ্বজুড়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৮ মিলিয়ন ছাড়িয়েছে, ৬৮৮,০০০ বেশি মৃত্যু হয়েছে। সম্প্রতি ব্রিটেনের সরকার চুক্তি করেছে ৬ কোটি করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিন তৈরির। Sanofi ও GlaxoSmithKline–এর সঙ্গে এই চুক্তি করা হয়েছে। এই নিয়ে চতুর্থ কোনও চুক্তি করেছে ব্রিটেনের সরকার।
এপ্রিলে Sanofi ও GSK, এই দুই সংস্থা জোট বেঁধে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরির কাজ শুরু করে। তাদের সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০২১ সালের প্রথমার্ধেই বাজারে করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে আসা সম্ভব হবে। আর সেগুলিই প্রায়োরিটি গ্রুপের লোকেদের আগে প্রয়োগ করা হবে।

এই করোনা ভ্যাকসিনের ফেজ থ্রি হিউম্যান ট্রায়াল শুরু হবে ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে। ব্রিটেন তাই আগে থেকেই নিজেদের দেশে ভ্যাকসিনের যাতে যথেষ্ট জোগান থাকে এবং যাতে প্রথমেই সেই দেশ ভ্যাকসিন পায়, সেটা নিশ্চিত করতে চাইছে। সেই কারণেই একের পর এক চুক্তি করে করোনা ভ্যাকসিনের বিষয়টি নিশ্চিত করছে সে দেশ।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা