কলকাতা: করোনা-আতঙ্ক দূরে ঠেলে আজ থেকে ফের পুরনো ছন্দে ফিরেছে মেট্রো। আজ থেকে ই-পাস ছাড়াই মেট্রোয় যাতায়াত করতে পারছেন যাত্রীরা। ই-পাসের দরকার না পড়লেও যাত্রীদের কাছে কিন্তু স্মার্ট কার্ড থাকা জরুরি। করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে আপাতত মেট্রোয় বন্ধ টোকেন। তবে ই-পাস ছাড়াই আজ থেকে ফের মেট্রোয় যাতায়াত করার সুবিধা পেয়ে খুশি যাত্রীরা।

করোনাকালে মেট্রোয় ই-পাস থাকলে তবেই যাতাযাতের সুযোগ পাচ্ছিলেন যাত্রীরা। তবে ই-পাস নিয়ে বহু অভিযোগছিল যাত্রীদের একটা বড় অংশের। বিশেষত পুরুষ যাত্রীরা ই-পাস নিয়ে বিরক্ত ছিলেন। কারণ, তাঁদের জন্য দিনে মাত্র ৪ ঘণ্টা মেট্রোয় চড়ার জন্য ই-পাস ইস্যু করা হচ্ছিল।

বিষয়টি নিয়ে মেট্রো কর্তৃপক্ষের কাছে গত কয়েকমাসে বারবার বহু অভিযোগ এসেছে। একের পর এক অভিযোগ পেয়ে অবশেষে পদক্ষেপ করল মেট্রোরেল। আজ থেকে ই-পাস ছাড়াই স্মার্ট কার্ড ব্যবহার করেই মেট্রোয় যাতায়াত করতে পারছেন যাত্রীরা। মেট্রো কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তে খুশি যাত্রীরা।

করোনা-আতঙ্ক দূরে ঠেলে এখন প্রায় সব কর্মক্ষেত্রেই স্বাভাবিক নিয়মে কাজকর্ম পুরোদমে চলছে। দিন যত এগোচ্ছে দৈনন্দিন কাজকর্মে ততই গতি আসছে। মেট্রোরেলে যাত্রীর সংখ্যাও প্রতিদিন বাড়ছে। যাত্রীদের চাপের জেরেই আজ থেকে বেড়েছে ট্রেনের সংখ্যাও।

মেট্রোরেল সূত্রে জানা গিয়েছে, সোম থেকে শনিবার পর্যন্ত প্রতিদিন ২৪০টি করে মেট্রো চলবে। কবি সুভাষ ও দমদম থেকে দিনের প্রথম মেট্রো ছাড়বে সকাল ৭টায়। দমদম ও নোয়াপাড়া থেকে দিনের শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত সাড়ে ৯টায়।

এদিকে, আজ থেকে ই-পাস ছাড়া মেট্রোয় যাতায়াতের সুবিধা পেয়ে খুশি যাত্রীরা। করোনাকালে ভিড় এড়াতে অনেকেই মেট্রোয় যাতায়াতে বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোতেও খুশি যাত্রীরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।