নয়াদিল্লি: যে কোনও জরুরিকালীন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিমান অবতরণ করানোর জন্য দেশ জুড়ে ১৭টি হাইওয়ে তৈরি করতে বলল বায়ুসেনা। এমনভাবে ওইসব হাইওয়ে তৈরি করতে হবে যাতে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কিংবা কোনও উদ্ধারকাজ চালানোর সময় সহজেই নামতে পারে বায়ুসেনার বিমান। দেশের ১০টি রাজ্যে তৈরি হবে এইসব হাইওয়ে। এর মধ্যে রয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর, অসম ও পশ্চিমবঙ্গেও।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গদকড়ি পিটিআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘সীমান্ত এলাকায় যেসব মানুষ রয়েছেন তাঁদের ভালো হাইওয়ে নেটওয়ার্ক প্রয়োজন। আমরা এমন হাইওয়ে তৈরি করব, যা প্রয়োজনে এয়ারস্ট্রিপে পরিবর্তিত করা যায়।’ এইসব হাইওয়েতে থাকবে ল্যান্ডিং লাইট, জ্বালানি, আগুন নেভানোর সরঞ্জাম ইত্যাদি। ২০১৫ তে দিল্লির কাছে যমুনা হাইওয়েতে ২০০০ মিরজ এয়ারক্রাফট নামায় ভারতীয় বায়ুসেনা।

গত  সপ্তাহে চিন সীমান্তে দেশের সবথেকে দীর্ঘ সেতু উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ব্রহ্মপুত্র নদীর উপরে দেশের সব থেকে বড় সেতু ঢোলা-সাদিয়া উদ্বোধন করেছেন তিনি। উদ্বোধনের দু’দিন পরেই সেই সেতু নিয়ে ভারতকে সতর্ক করেছে চিন। ভারত-চিন সীমান্ত সমস্যা যাতে আরও বড় না হয় সেদিকে দিল্লিকে নজর দিতে বলেছে বেজিং। গত শুক্রবার অসম এবং অরুণাচল প্রদেশের মাঝে ঢোলা-সাদিয়া সেতু উদ্বোধন করেছেন মোদী। পরে অসমের গায়ক ভুপেন হাজারিকার নামে সেই সেতুর নামকরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের পূর্ব প্রান্তে চিনের সঙ্গে সীমান্ত নিয়ে বিরোধ রয়েছে ভারতের। এই বিষয়ে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে বলা হয়েছে, “ভারত-চিনের মধ্যে সীমান্তে জমি নিয়ে সমস্যা রয়েছে। অনেক জমি বিতর্কিত আছে। আশা করব ভারত সেই সব দিকে নজর দেবে।”