নয়াদিল্লি: বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডে প্রাণের খোঁজ চলছে বহুদিন ধরে। মঙ্গলে গাছ কিংবা অন্যান্য প্রাণ সৃষ্টির চেষ্টা করছে বিশ্বের একাধিক দেশ। তবে, এবার আরও এক প্রতিবেশী গ্রহে প্রাণের সন্ধান পেল ভারত। আর তা শুক্র গ্রহ।

সোমবার মহাকাশবিদরা জানিয়েছেন, ভেনাস বা শুক্রগ্রহের পরিবেশে প্রাণের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। জানা গিয়েছে, পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব থাকার জন্য অত্যন্ত জরুরি একটি গ্যাসের সন্ধান মিলেছে শুক্রগ্রহের পরিবেশে। নাসা-র অধিকর্তা জানিয়েছেন, এখনও র্যন্ত বহির্বিশ্বে যে প্রাণের সন্ধান চলছে, সেই গবেষণায় এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ফলাফল।

আগেও একাধিক দেশ শুক্রগ্রহে অভিযান চালানোর প্রস্তাব দিয়েছে। তবে তা কবে বাস্তবায়িত হবে জানা নেই।

ভারতের অবশ্য ‘শুক্রায়ন’ অভিযানের তোড়জোড় চলছে বহুদিন ধরেই। এই অভিযানে যে যান পাঠানো হবে তা শুক্রগ্রহের আশেপাশে ঘুরে সেখানকার পরিবেশের উপাদান সম্পর্কে তথ্য দেবে।

চলতি বছরের শুরুতে ইসরো চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, ২০২৩-এ শুক্রগ্রহে অভিযান চালাবে ইসরো। নিউজিল্যান্ডের একটি বেসরকারি সংস্থাও শুক্রে স্যাটেলাইট পাঠাবে বলে জানা গিয়েছে।

নাসাও এর আগে বহুবার এই প্রস্তাব দিয়েছে।

চাঁদের চারপাশে ঘুরছে চন্দ্রযান ২। কিছুদিন আগেই নিজের এক বছর পূর্ণ করল এই মহাকাশযান। ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো জানিয়েছে এই তথ্য। ইসরো আরও জানাচ্ছে এখনও চন্দ্রায়ন ২-র যা জ্বালানি মজুত রয়েছে, তা দিয়ে সাত বছর চাঁদের চারপাশে প্রদক্ষিণ করতে পারবে এটি।

২০১৯ সালের ২২ জুলাই চন্দ্রযান ২-কে লঞ্চ করা হয়। চাঁদের কক্ষপথে এটি কাজ করতে শুরু করে ঠিক এক বছর আগে, ২০শে অগাষ্ট। জুলাই মাসের ২২ তারিখ অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে চাঁদের দিকে যাত্রা করে এই মহাকাশ যান। ২০শে অগাষ্ট চাঁদের মাটি ছোঁয়ার কথা ছিল চন্দ্রযান ২-য়ের৷ চাঁদের একেবারে অন্ধকার দিকটিতে চন্দ্রায়ন ২-এর নামার কথা ছিল।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।