নয়াদিল্লি: পাইকারি মূল্য ভিত্তিক মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ২.০৩ শতাংশ হয়েছে ২০২১ সালের জানুয়ারিতে। যদিও এই সময় খাদ্যপণ্যের দাম কমেছে। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে পাইকারি মূল্য ভিত্তিক মুদ্রাস্ফীতি হার ছিল ১.২২ শতাংশ এবং গত বছরের জানুয়ারি মাসে তা ছিল ৫.৫২ শতাংশ।

মুদ্রাস্ফীতির ক্ষেত্রে খাদ্য পণ্যের দাম জানুয়ারি মাসে সস্তা থাকলেও এই অংকটা বেড়ে গিয়েছে উৎপাদিত শিল্প সামগ্রী জন্য। শিল্প এবং বাণিজ্যমন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য তেমন ইঙ্গিত দিচ্ছে। খাদ্য সামগ্রীর ক্ষেত্রে জানুয়ারি মাসে মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল (-) ২.৮ শতাংশ এবং তার আগের মাসে ছিল (-) ১.১ শতাংশ। জানুয়ারি মাসের মুদ্রাস্ফীতির হার আনাজপাতি এবং আলুর ক্ষেত্রে ছিল যথাক্রমে( -)২০.৮২ এবং ২২.০৮ শতাংশ। সেখানে জ্বালানি এবং বিদ্যুতের ক্ষেত্রে অংকটা ছিল (-)৪.৭৮ শতাংশ।খাদ্য সামগ্রী নয় এমন জিনিসের ওই মাসে মুদ্রাস্ফীতির হারছিল ৪.১৬ শতাংশ। ৫ ফেব্রুয়ারি রিজার্ভ ব্যাংক তার মানিটারি পলিসিতে সিদ্ধান্ত নেয় সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে। যার ফলে পরপর চারটি বৈঠকের তা অপরিবর্তিত রাখা হল। যদিও ইঙ্গিত দিয়েছে পরবর্তীকালে তা পরিবর্তন হতে পারে।

তবে গত সপ্তাহের শেষে পরিস্থিতি কিছুটা স্বস্তি দিয়েছিল শিল্পোৎপাদন এবং খুচরা মূল্য বৃদ্ধির হার সংক্রান্ত তথ্য।দু’মাস ধরে বৃদ্ধির পর গত নভেম্বর মাসে ধাক্কা খেয়েছিল শিল্পোৎপাদন, তা নেমে এসেছিল ১.৯ শতাংশে। ধাক্কা খেতে দেখা গিয়েছিল কলকারখানার উৎপাদনের পাশাপাশি মূলধনী পণ্য এবং ভোগ্যপণ্যেও। এরপর আবার যেন অর্থনীতি ছন্দে ফেরার আশা জাগিয়েছিল এই অংক। কারণ এই ডিসেম্বর মাসে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসের চেয়ে শিল্পোত্পাদন এক শতাংশ বেড়ে যায়। পাশাপাশি দেখা গিয়েছিল ১৬ মাসে সর্বনিম্ন অবস্থায় এসেছে খুচরো মূল্যবৃদ্ধির হার। যা অনেকটাই স্বস্তির খবর অনেকের কাছে। জানুয়ারি মাসে খুচরা মূল্য বৃদ্ধি আগের বছরের এই মাসের চেয়ে কমে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৪.০৬ শতাংশ। এর কারণ হল আনাজ সহ অন্যান্য খাদ্যপণ্যের দাম কমে যাওয়া। এর আগের মাস অর্থাৎ ডিসেম্বর খুচরা মূল্য বৃদ্ধির হার ছিল ৪.৫৯ শতাংশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.