স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: লকডাউনের জেরে তিন মাস আটকে রয়েছে বিধায়কদের ভাতা। এব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন কংগ্রেস পরিষদীয় দলের নেতা আব্দুল মান্নান।

লকডাউনের জেরে বন্ধ রয়েছে বিধানসভা। বিধানসভা বন্ধ থাকার ফলে বিধানসভার কোনও স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকও হচ্ছে না। আর তাই ভাতাও বন্ধ। ভাতাও পাচ্ছেন না বিধায়করা।

এই পরিস্থিতিতে আব্দুল মান্নান বলেন, “এখানে বিধায়কদের টাকা অন্য রাজ্যের থেকে এমনিতেই কম। এখন এই টাকাও ৩ মাস ধরে আটকে রয়েছে। বিধায়করা কি এবার ভিক্ষা করবেন? বিধানসভার অধ্যক্ষ এই বিষয়ে নাকি দেখছেন, দেখা যাক কী হয়!”

প্রসঙ্গত, স্ট্যান্ডিং কমিটির মিটিংয়ে যোগ দিলেই বিধায়কদের প্রতিদিন ২০০০ টাকা করে ভাতা পাওয়ার কথা। সেক্ষেত্রে মাসে ৬০,০০০ টাকা ভাতা পান তাঁরা। আগে বিধায়কদের দৈনন্দিন ভাতা ছিল ১,০০০ টাকা এবং ক্যাবিনেট মন্ত্রীদের ক্ষেত্রে তা ছিল ২,০০০ টাকা। বিধায়কদের বর্তমান বেতন ২১,৮০০ টাকা। দৈনন্দিন ২,০০০ টাকা ভাতা মিলিয়ে তাঁরা পান ৮১,৮০০ টাকা।

এছাড়া, একজন ক্যাবিনেটমন্ত্রীদের মাসিক বেতন ২২,৮০০ টাকা। দৈনন্দিন ভাতা ৩,০০০ টাকা নিয়ে তাঁরা পান ১,১২,৮০০ টাকা।

এদিকে, করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিটিতে পরিষদীয় কাজকর্মকে কাগজহীন করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বিধানসভায়। আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রকল্পর নাম দেওয়া হয়েছে ই-বিধান। এর অঙ্গ হিসেবে বিধানসভা ভবনগুলিকে ভিডিও-বৈঠক করার জন্য পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, আগামী দিনে লোকসভা বা অন্য রাজ্যের বিধানসভার অধ্যক্ষদের সঙ্গে জাতীয় স্তরে বৈঠকের ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে। সেই সঙ্গে নবান্নের পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও অধ্যক্ষ বা বিধানসভার উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা এই পরিকাঠামো ব্যবহার করতে পারবেন। আগামীদিনে এর সাহায্যে বিধানসভার স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠক করার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে কর্তৃপক্ষ।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ